TMC: তৃণমূলের মঞ্চে ফের ‘লঙ্কা রাজা’, সোনার গয়নায় সেজে প্রচারে নজর কাড়লেন সুনীল দাস
তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচার মঞ্চে আবার উঠে এলেন সুনীল দাস, যাঁকে জনপ্রিয়ভাবে ডাকা হয় ‘লঙ্কা রাজা’ নামে। সোনার গয়নায় সজ্জিত হয়ে তিনি দেবাংশু ভট্টাচার্যের প্রচারে support জানাতে নাচে উঠলেন, যা ঘিরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। এর আগেও লোকসভা ভোটে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারে তাঁকে দেখা গিয়েছিল, কিন্তু এবারের উপস্থিতি আরও চোখে পড়ার মতো ছিল।
গ্রামের বাসিন্দা এই ব্যবসায়ী আগে যাত্রায় রাবণের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, যেখান থেকে তাঁর ‘লঙ্কা রাজা’ পরিচয়ের সূচনা। তাঁর গয়নার শখ তাঁকে আলাদা করে তুলেছে। হাতের দশ আঙুলে জোড়া জোড়া rings , কানে ও গলায় সোনার গহনা — সবই তাঁর identity -এর অংশ। কেউ কেউ তাঁকে ‘বুলেট কাকা’ নামেও ডাকেন, কিন্তু public image লঙ্কা রাজা হিসাবেই আজ প্রতিষ্ঠিত।
সোনার গয়না পরা আজ আর কোনো অস্বাভাবিক ব্যাপার নয়, বিশেষ করে যখন ভোটের আগে প্রার্থীদের হলফনামায় কেজি কেজি সোনার উল্লেখ থাকে। সুনীল দাসের কাছে এটি শুধু পোশাক নয়, একটি statement । কিছু মানুষ দাবি করেন সব গয়না আসল সোনা নয়, কিন্তু তাঁর জনপ্রিয়তা pressure বাড়িয়ে দিচ্ছে প্রতিপক্ষের উপর।
তাঁর প্রচার কৌশল নিজের মতোই — দলের প্রচার সভায় উপস্থিত থাকা কর্মীদের জন্য তিনি নিজেই মিষ্টি ও কেকের ব্যবস্থা করেন। এটি কেবল আনন্দ ছড়ায় না, বরং দলের প্রতি loyalty ও trust জানানোর মাধ্যম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ভালোবাসা থেকেই তিনি তৃণমূলের হয়ে কাজ করেন বলে জানান। এমন প্রচার আজকের রাজনীতির reality হয়ে উঠেছে, যেখানে ব্যক্তিত্ব আর দৃশ্য অনেক সময় নীতির চেয়ে বেশি impact ফেলে।
সোনার গয়না পরে প্রচার করলে ভোট বাড়বে নাকি cost খরচ বাড়বে, সেটাই ভাবছি।
এটা আসলে দলের জন্য marketing বিপণন, আর তাই কাজ দিচ্ছে।
এত সোনা যদি সত্যি হয়, তাহলে income আয় ঘোষণায় কী লেখা হয়েছে দেখতে চাই।
গয়না নয়, কাজের মান দেখে ভোট দিতে হয়। এটা শুধু show দেখানো।
‘লঙ্কা রাজা’ হোক বা না হোক, মানুষ attention মনোযোগ পাচ্ছেন, আর রাজনীতিতে সেটাই তো সব।
মিষ্টি কেক দিলে মানুষ খুশি হয়, কিন্তু সেটা কি decision সিদ্ধান্ত বদলায়?