লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল ঘিরে উত্তেজনা: ‘গণতন্ত্র ছিনতাই’-এর অভিযোগে সরব কংগ্রেস-সপা
লোকসভায় মহিলা reservation বিল নিয়ে তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক tension । বিরোধীরা অভিযোগ করছে, 'গণতন্ত্রের ছিনতাই' করা হচ্ছে, অন্যদিকে সরকার বলছে, এটি নারীদের রাজনৈতিক representation বাড়াবে। বৃহস্পতিবার সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পেশ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে সংবিধানের ১৩১তম সংশোধনী বিল, যা ২০২৯ সালের মধ্যে লোকসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ seats সংরক্ষিত রাখবে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এই move নারীদের ক্ষমতায়নের দিকে একটি ঐতিহাসিক এগিয়ে যাওয়া। কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল বলেন, এটি ২০২৩ সালের নারী reservation আইন বাস্তবায়নের পথ সুগম করবে। বিল অনুযায়ী, লোকসভার আসন সংখ্যা বর্তমান ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে প্রায় ৮৫০ করা হবে, এবং সেখানে ২৭২টি seat হবে মহিলাদের জন্য। সরকার জোর দিয়ে বলছে, কোনো রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব কমবে না, বরং বাড়বে।
কিন্তু বিরোধী দলগুলো এই plan নিয়ে উত্তেজিত। কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টি (সপা) অভিযোগ করছে যে, ২০১১-এর আদমশুমারির তথ্য ব্যবহার করে সীমানা পুনর্নির্ধারণ করলে দক্ষিণ ভারত এবং অনগ্রসর রাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্ব কমবে। রাহুল গান্ধী বলেছেন, এটি মহিলা empowerment নয়, বরং ক্ষমতা grab করার রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র।
সপা সাংসদ ধর্মেন্দ্র যাদব বলেন, অনগ্রসর শ্রেণী এবং মুসলিম মহিলাদের জন্য আলাদা কোটা না থাকলে তাঁরা বিলের বিরোধিতা জারি রাখবেন। অন্যদিকে, এআইএমআইএম-এর আসাদউদ্দিন ওয়াইসি দাবি করেছেন, এতে হিন্দি বলয়ের dominance বাড়বে এবং দক্ষিণ ভারত বৈষম্যের শিকার হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জবাব দেন, ধর্ম বা জাত ভিত্তিক সংরক্ষণ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
শুক্রবার বিকেল ৪টায় বিলগুলির ওপর vote হবে, এবং এর আগে উভয়পক্ষের মধ্যে clash তীব্র হয়ে উঠেছে। কংগ্রেস নেতা কেসি ভেনুগোপাল বলেছেন, সরকার গণতন্ত্রকে 'হাইজ্যাক' করার চেষ্টা করছে। সংসদ এখন রাজনৈতিক মেরুকরণ এর কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এই বিল নারীদের অধিকারের বিষয় হলেও, রাজনৈতিক ভাবনায় তা পরিণত হয়েছে ক্ষমতার struggle ।
মহিলা সংরক্ষণ ভালো কথা, কিন্তু সব মহিলাই কি একই সুযোগ পাবে? অনগ্রসর শ্রেণীর মহিলাদের কথা কেউ ভাবছে?
২০১১-এর তথ্য ব্যবহার করে সীমানা ঠিক করলে দক্ষিণ ভারতের আসন কমবে। এটা কি সত্যিই fair ন্যায়সঙ্গত?
রাহুল গান্ধীর কথাটা মনে হয় ঠিক—মহিলা reservation সংরক্ষণ নয়, ক্ষমতা দখলের চাল।
সংবিধান বদল হচ্ছে, কিন্তু কেউ ভাবছে না এর impact প্রভাব কী হবে?
হিন্দি বলয় আরও শক্তিশালী হবে, দক্ষিণ ভারতের voice কণ্ঠস্বর দুর্বল হবে।
গণতন্ত্রের নামে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। এটা কি আসলেই democracy গণতন্ত্র নাকি ক্ষমতার রাজনীতি?