ঢাকায় গাগারিনের ভাস্কর্য উন্মোচন, বাংলাদেশ–রাশিয়া বন্ধুত্বে নতুন বার্তা
ঢাকার জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর প্রাঙ্গণে রবিবার সকালে একটি ঐতিহাসিক event অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানব ইতিহাসের প্রথম মহাকাশযাত্রী ইউরি গাগারিনের sculpture উন্মোচন করা হয় ৬৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে, যেদিন তিনি মহাকাশে প্রবেশ করেছিলেন। শিক্ষার্থী, গবেষক ও কূটনীতিকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি ছিল celebratory , যা বিজ্ঞানের প্রতি জনগণের enthusiasm এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনার effort প্রতীক।
বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন বলেন, গাগারিন শুধু রাশিয়ার নন, তিনি মানবতার symbol । তিনি উল্লেখ করেন যে বিজ্ঞানের কোনো border নেই, এবং মহাকাশ অনুসন্ধান হলো মানুষের collective dream । এ ধরনের মন্তব্য দুই দেশের মধ্যে বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির মাধ্যমে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বের depth তুলে ধরে।
রাশিয়ান ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি উইথ বাংলাদেশের সভাপতি মিয়া সাত্তার বলেন, এই ভাস্কর্য কেবল অতীতের memory নয়, এটি ভবিষ্যতের একটি message । তিনি আশা প্রকাশ করেন যে বাংলাদেশ থেকেও একদিন কোনো নভোচারী space যাবেন। এ ধরনের initiative তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও গবেষণার প্রতি আকৃষ্ট করবে।
ভাস্কর্যটি হলো বিজ্ঞানের প্রতি আস্থা, আন্তর্জাতিক collaboration এবং সীমাহীন স্বপ্নের এক জীবন্ত প্রতীক। জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মহাপরিচালক মুনিরা সুলতানা বলেন, এ ধরনের অনুষ্ঠান শুধু ইতিহাস মনে করায় না, বরং ভবিষ্যতের জন্য একটি স্পষ্ট vision তৈরি করে। রাশিয়ান হাউজ ঢাকা এবং রাশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের সমন্বয়ে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়েছিল, যা দুই দেশের মধ্যে বৈজ্ঞানিক যোগাযোগের প্রতি দৃঢ় commitment প্রকাশ করে।
বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই ঘটনা তরুণ গবেষকদের মধ্যে মহাকাশ exploration প্রতি আগ্রহ জাগাবে। বাংলাদেশে বৈজ্ঞানিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার পথে এটি হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ milestone । যদিও এখনও কোনো বাংলাদেশি নভোচারী মহাকাশে যায়নি, কিন্তু এ ধরনের symbolic উদ্যোগ ভবিষ্যতের সম্ভাবনা নিয়ে আসে।
গাগারিনের ভাস্কর্য দেখে মনে হচ্ছে, আমাদের next generation পরবর্তী প্রজন্ম সত্যিই মহাকাশে যেতে পারে। এটা শুধু একটা মূর্তি না, একটা dream স্বপ্ন।
বাংলাদেশে বিজ্ঞানের প্রতি public interest জনগণের আগ্রহ বাড়ানোর জন্য এমন gesture ইঙ্গিত খুব গুরুত্বপূর্ণ।
রাশিয়ার সাথে এই সহযোগিতা দেখে ভালো feeling অনুভূতি হচ্ছে, কিন্তু দেখা যাক এটা কতটা follow-up অনুসরণ পায়।
বিজ্ঞান শুধু পরীক্ষা নয়, এটা একটা culture সংস্কৃতি। এই ভাস্কর্য সেই সংস্কৃতিকে প্রকাশ করছে।
মহাকাশ গবেষণা আর ভাস্কর্য—একটা symbolic প্রতীকী যোগসূত্র। কিন্তু আসল কাজ হবে ল্যাবে, না প্রাঙ্গণে?
এই moment মুহূর্ত থেকে হয়তো আমাদের প্রথম নভোচারীর journey যাত্রা শুরু হবে। আস্থা আছে।