আয়াতুল্লাহ খামেনির স্মরণে ঢাবিতে সেমিনার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সোমবার ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা new planটি নয়, বরং আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাহাদাতের ৪০তম দিন উপলক্ষে একটি স্মরণসভা ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়। মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচির আয়োজন করে ঢাকাস্থ ইরানের আল-মুস্তফা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধির কার্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)।
‘সাইয়্যেদ আলী খামেনির রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃত্ব: ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানে তত্ত্ব ও প্রয়োগ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জালিল রাহিমী জাহানাবাদী। তিনি riskটা উল্লেখ করে বলেন, ফিলিস্তিন ও গাজার মানুষের ওপর চলমান নির্যাতন মুসলিম বিশ্বের কাছে একটি গভীর প্রশ্ন তুলে ধরেছে। একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র হাজার হাজার কিলোমিটার দূর থেকে হামলা চালালেও মুসলিম দেশগুলি pressureকে কার্যকর প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, গাজার শহীদ শিশুদের কথা শুধু হৃদয় নয়, public trustকে ও নাড়া দেয়। যারা নিজেদের শান্তি ও নিরাপত্তার রক্ষক বলে দাবি করে, তাদের নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ। অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং সাম্রাজ্যবাদী শক্তির মিথ্যা ও জুলুমের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্তহিসেবে ঐক্য অপরিহার্য।
দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান বলেন, মুসলিম বিশ্বের অভ্যন্তরীণ বিভাজন—বিশেষ করে শিয়া-সুন্নি বিভেদ—support কাঠিন্য বাড়িয়েছে। প্রযুক্তি ও সামরিক ক্ষমতায় পিছিয়ে থাকা, এমনকি অর্থনৈতিক সম্পদ থাকা সত্ত্বেও কৌশলগত নির্ভরশীলতা আমাদের market ও নিরাপত্তাকে দুর্বল করেছে।
ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, ইরান কোভিড-১৯ মহামারির সময় বাংলাদেশকে চিকিৎসা সরঞ্জাম দিয়ে quickly সহায়তা করেছিল। বর্তমানে হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতির কারণে তেল সরবরাহে impact পড়েছে। তিনি আশা করেন, ইরান ও অন্যান্য বন্ধু রাষ্ট্র ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের পাশে থাকবে।
গাজার ঘটনা সত্যিই horror ভয় জাগায়, কিন্তু আমাদের প্রতিক্রিয়া কি শুধু সেমিনারেই সীমাবদ্ধ থাকবে?
ইরান যখন সাহায্য করে, তখন সমর্থন করা উচিত, কিন্তু এটা কি রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের অংশ নয়?
শিয়া-সুন্নি বিভেদ মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে বড় risk ঝুঁকি, এটা নিয়ে আরও খোলামেলা আলোচনা দরকার।
বাংলাদেশ যদি প্রযুক্তি ও সামরিক ক্ষমতায় এগোয়, তবে ভবিষ্যতে বাইরের চাপে pressure চাপ কমবে।
সেমিনারের আয়োজন ভালো, কিন্তু কী ধরনের plan পরিকল্পনা আসবে সেটা দেখার অপেক্ষা।
আমরা প্রায়ই আবেগে কথা বলি, কিন্তু কীভাবে trust আস্থা ফিরে পাওয়া যায়, সে বিষয়ে কি কোনো কথা উঠল?