২৬৪ রানের পাহাড় ডিঙিয়ে জয়: পঞ্জাবের অগ্নিগর্ভ অভিযান
cricket হচ্ছে আশ্চর্যের খেলা — যেখানে আগের ম্যাচের ফলাফল পরেরটির কোনো ইঙ্গিত নয়। শনিবারের সেই উত্তেজনাময় match এর জ্বলন্ত প্রমাণ। দিল্লি ক্যাপিটালস score করেছিল ২৬৪ রান, মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে। এক সময় মনে হচ্ছিল, পঞ্জাব কিংস এই পাহাড়ের মতো লক্ষ্য ছুঁতে পারবে না। কিন্তু ক্রিকেটে anything হতে পারে — সেটা প্রমাণ করে গেল প্রীতি জিন্টার দল। তারা না শুধু চেজ করল, বরং ইতিহাস লিখে দিল। গ্যালারিতে উত্তেজনা, টিভি স্ক্রিনে অবিশ্বাস — সবকিছুর মধ্যে দিয়ে পঞ্জাব হাঁটল জয়ের পথে।
দিল্লির অধিনায়ক কেএল রাহুল আজকের দিনটি তাঁর নিজের করে নিলেন। মাত্র ৬৭ বলে unbeaten ১৫২ রান! এই ইনিংসে ছিল ১৬টি চার আর ৯টি ছক্কা। নীতিশ রানা তাঁকে সঙ্গ দিয়েছিলেন ৪৪ বলে ৯১ রানে। দুই ব্যাটসম্যানের ২২০ রানের জুটি পঞ্জাবের পক্ষে challenge ছিল অসম্ভব মনে হচ্ছিল। কিন্তু খেলা তখনও শেষ হয়নি। বরং নাটকের শুরু হয়েছিল। পঞ্জাবের সামনে ছিল ২৬৫ রানের লক্ষ্য — আইপিএলে এত বড় target আগে কখনও তাড়া করা হয়নি।
পঞ্জাবের প্রতিক্রিয়া ছিল আগুনে। প্রভসিমরন আর প্রিয়াংশ আরিয়া মাত্র ৭ ওভারে ১২৬ রান তুলে ফেলেন। বিশেষ করে প্রভসিমরনের ২৬ বলে ৭৬ রান — ৯টি চার, ৫টি ছক্কা — তা ছিল দিল্লির বোলিং attack ভাঙার প্রথম বিদ্রোহ। তাঁর ব্যাট থেকে আসা প্রতিটি boundary দিল্লির আশাকে ছোট করে দিচ্ছিল। এই অগ্নিগর্ভ শুরুটা প্রমাণ করে দিল, chase করা আসলে কোনো ভয়ের কিছু নয়।
মধ্যের ওভারগুলিতে প্রভসিমরন ও প্রিয়াংশ আউট হলেও পঞ্জাবের মাথা ঠাণ্ডা রাখলেন নেহাল ওঢেরা ও অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। তাঁদের ৫৬ রানের পার্টনারশিপ ছিল চাপ সামলানোর মাস্টারক্লাস। নেহাল ১৫ বলে ২৫ রান করে আউট হলেও, শ্রেয়স ঠান্ডা মাথায় শেষ পর্যন্ত দলকে জয়ের দিকে steer । দিল্লির বোলাররা তাঁদের সামনে অসহায় হয়ে পড়েন। এই ম্যাচ এখন আইপিএলের history স্থান পাবে হিসাবে সবচেয়ে বড় রান তাড়া করার রেকর্ড হিসেবে।
এই জয়ে পঞ্জাব কিংস চলতি সিজনে অজেয় রইল। ৭ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে তারা পয়েন্ট টেবিলের top । অন্যদিকে দিল্লি, যারা শুরুটা দারুণ করেছিল, শেষ ৪ ম্যাচের ৩টিতে হেরে এখন ষষ্ঠ স্থানে। হেড-টু-হেড রেকর্ড এখন ১৭-১৭। কিন্তু এদিনের কাহিনী ছিল নাড়িয়ে দেওয়ার — কীভাবে হতাশা থেকে উঠে আসে এক team , আর কীভাবে এক অবিশ্বাস্য performance খেলার গতি বদলে দেয়।
incredible অবিশ্বাস্য! প্রভসিমরন কী করল মাত্র ২৬ বলে? আমি কোনো বুকে বিশ্বাস করছি না।
কেএল রাহুল আজ অন্য লিগে খেলছিল। কিন্তু ক্রিকেটে একা খেলো না যায়। পুরো দলকে নিয়ে জয় হয়।
pressure চাপে কীভাবে খেলা হয়, শ্রেয়স আইয়ার আজ মাস্টার ক্লাস দিলেন। তাঁর স্ট্রোক সিলেকশন ছিল নিখুঁত।
২৬৫ রান তাড়া করা? আমার হৃদস্পন্দন এখনও স্বাভাবিক হয়নি। পঞ্জাব কী সাহস!
দিল্লির বোলিং কি এতটাই ফ্লপ হয়েছিল, নাকি ব্যাটসম্যানরা এতটাই ভালো খেলেছিল? নিশ্চয়ই দুটোই।
record রেকর্ড ভাঙা ম্যাচ, কিন্তু পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে উঠতে আরও ম্যাচ জিততে হবে। এটা শুধু শুরু।
প্রিয়াংশ আরিয়া কেমন করে এত দ্রুত স্কোর করলেন, সেটা দেখে আমি শিউরে উঠলাম। আগুন ধরিয়ে দিল শুরুতেই।
আইপিএলের ইতিহাসে আজকের চেয়ে বড় chase চেজ আর হবে কি না জানি না, কিন্তু এটা সত্যিই অসাধারণ ছিল।