সেলিব্রিটি বডিগার্ডদের বেতন: শাহরুখের প্রাক্তন দেহরক্ষী ফাঁস করলেন আসল সত্যি! কত টাকা মাইনে পান তারা?
বলিউড তারকাদের পাশে দাঁড়ানো দেহরক্ষীদের নিয়ে নানা গুজব ঘোরে, কিন্তু reality অনেক আলাদা। শাহরুখ খানের এক প্রাক্তন দেহরক্ষী এবার ফাঁস করলেন সেই truth , যা প্রচলিত ধারণাকে একেবারে উলটে দেয়। তাঁদের দাবি, সেলিব্রিটি বডিগার্ডদের বার্ষিক আয় কোটি কোটি টাকা নয়—এটি মোটেই না। বরং একজন অভিজ্ঞ পেশাদার মাসে প্রায় ১ লক্ষ টাকা আয় করেন, যা আকাশছোঁয়া salary নয়, কিন্তু স্থিতিশীল।
ইয়াসিন খান, যিনি শাহরুখ খানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন, জানান যে শেরা বা রবি সিং-এর মতো নামী বডিগার্ডদের বেতন নিয়ে যে তথ্য ঘোরে, তা প্রায়শই অতিরঞ্জিত। তিনি বলেন, এই ধরনের অঙ্ক industry -র আসল চিত্রের সঙ্গে মেলে না। বেশিরভাগ দেহরক্ষী নির্দিষ্ট মাসিক চুক্তিতে কাজ করেন, না করে বছরের প্যাকেজে। ফলে, আয় নিশ্চিত হলেও চমকপ্রদ নয়।
অবশ্য, ফিল্ম শুটিং বা বিশেষ অ্যাসাইনমেন্টের সময় কেউ কেউ অতিরিক্ত bonus পান, কিন্তু তা নিশ্চিত নয়। ইয়াসিন খান আরও জানান যে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা ক্ষেত্রে চুক্তির ব্যবস্থা বেশি প্রচলিত হয়েছে, যা পেশাদারিত্ব বাড়িয়েছে। এই পরিবর্তন decision নেওয়ার মাধ্যমে শিল্প আরও কার্যকর হয়ে উঠছে।
২০১৫ সালে ইয়াসিন খান মুম্বইতে নিজের নিরাপত্তা সংস্থা 'ওয়াইকে প্রোসেক' প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর সংস্থা এখন বিরাট কোহলি, শচীন তেন্ডুলকারের মতো ব্যক্তিত্বদের জন্য নিরাপত্তা সেবা প্রদান করে। তাঁর এই journey দেখায় যে কীভাবে সেলিব্রিটি নিরাপত্তার অভিজ্ঞতা একটি সফল business তে পরিণত হতে পারে।
এই ঘটনা শুধু বেতনের প্রশ্ন নয়; এটি বডিগার্ডদের অদৃশ্য পরিশ্রমের প্রতি আলোকপাত করে। তাঁদের কাজ ঝুঁকি আছে, কিন্তু স্বীকৃতি কম। ইয়াসিনের মতো ব্যক্তিরা এই পেশাকে নতুন মাত্রা দিচ্ছেন। এটি শুধু নিরাপত্তার কথা নয়, এটি নতুন opportunity এর কথা।
আমি সবসময় ভেবেছিলাম তারকাদের বডিগার্ডরা কোটি টাকা পায়! কিন্তু এটা শুনে একটু shock অবাক লাগল। তারা তো প্রাণ দিয়ে কাজ করেন, তাহলে মাইনে কেন এত কম?
শেরা বা রবি সিং-এর নামে যে সব খবর ঘোরে, সেগুলো আসলে প্রচারের অংশ। এই ইয়াসিন খানের মতো সাধারণ দেহরক্ষীদের কথা কেউ শোনে না। truth সত্যি তো আর হলিউড মুভির মতো নয়।
মাসিক ১ লক্ষ টাকা কোনো খারাপ বেতন নয়, তবে ঝুঁকি ভাবলে pressure চাপ বোঝা যায়। বিশেষ করে যখন তারকা জনসমুদ্রে যান, তখন দায়িত্ব কম নয়।
কিন্তু একটা জিনিস ভাবছি—যদি বেতন এত কম, তাহলে কেন কেউ এই পেশা বেছে নেবে? career ক্যারিয়ার হিসেবে এটা কতটা সুস্থির?
ইয়াসিন খানের নিজের সংস্থা খোলা দেখে খুশি হলাম। এটা দেখায় যে এই কাজ থেকেও success সাফল্য আসতে পারে। নতুন প্রজন্মের জন্য প্রেরণা।
এই খবরটা আসলে বডিগার্ডদের প্রতি আমাদের respect সম্মান বাড়াবে। তারা শুধু দামি পোশাক পরা লোক নন, তারা সত্যিকারের প্রোফেশনাল।