হবু বাবাদের মধ্যে আদর্শ রণবীর, যে কারণ বললেন দীপিকা পাড়ুকোন
অন্তঃসত্ত্বা হওয়া মানেই হবু মায়ের জন্য শুধু শারীরিক পরিবর্তন নয়, বদলে যায় তার পুরো দিনচর্যা, mental health , এমনকি সম্পর্কের গতিশীলতাও। স্বামী বা জীবনসঙ্গীর ভূমিকা এই সময়ে হয়ে ওঠে আরও important । কিন্তু বহু হবু বাবার মনে হয়, এটা শুধু মায়ের দায়িত্ব। অথচ বিজ্ঞান ও মনস্তত্ত্ব বারবার বলেছে, পাশে থাকার চেষ্টা করলেই হবু মায়ের pressure কমে, আর সেই প্রভাব পড়ে শিশুর উপরও।
সদ্য মা হওয়া বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন সেই কথাই বললেন। তিনি জানালেন, অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন তার স্বামী রণবীর সিং যেভাবে পাশে ছিলেন, তা হবু বাবাদের জন্য একটি ideal উদাহরণ। বিদেশে shooting চলাকালীনও রণবীর কয়েকদিনের ছুটি নিয়ে ফিরে এসেছিলেন, শুধু মা হতে চলা দীপিকাকে সাহায্য করতে। সেই effort ছিল ছোট, কিন্তু মানসিকভাবে বিশাল support ।
অনেক হবু বাবা ক্যারিয়ারের চূড়ান্ত মুহূর্তে থাকেন, যখন responsibility থাকে তুঙ্গে। কিন্তু দীপিকা বলেন, এমন সময় পরিবারের জন্য সময় find শুধু মানবিকতা নয়, বাবার দায়িত্ববোধেরও অংশ। রণবীরের মতো কেউ যদি পাশে থাকেন, তাহলে হবু মা মনে মনে অবহেলিত বোধ করেন না। এমন সম্পর্ক শুধু শিশুর জন্মের আগেই নয়, পরেও দৃঢ় হয়।
বলিউডের এই ঘটনা শুধু সেলিব্রিটি গুজব নয়; এটি একটি cultural আলোচনা শুরু করেছে পুরুষদের পিতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে। অনেক পরিবারে এখনও মনে হয়, বাবার কাজ হলো অর্থ উপার্জন, আর বাকি সব মায়ের দায়িত্ব। দীপিকার কথা এই norm ভাঙতে সাহায্য করছে। রণবীরের মতো চেষ্টা, তার ছুটি নেওয়া, বাড়ি ফেরা — সবই ছিল সামান্য সিদ্ধান্ত, কিন্তু তার impact ছিল গভীর।
এখন যখন পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং পরিবারের সাথে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা বাড়ছে, তখন দীপিকার মন্তব্য সময়ের সাথে তাল মেলাচ্ছে। হবু বাবারা যদি মনে করেন তাদের উপস্থিতি অপ্রয়োজনীয়, তবে এটি তাদের জন্য একটি নরম কিন্তু স্পষ্ট সতর্কবাণী। পরিবারের প্রতি আন্তরিক commitment কখনো কখনো ছোট চেষ্টাতেই প্রকাশ পায় — এবং সেটাই হয়ে ওঠে lasting প্রভাব।
আমার বন্ধু সদ্য বাবা হয়েছে। কিন্তু এখনো স্ত্রীর সাথে ঠিক মানিয়ে উঠতে পারছে না। রণবীরের মতো awareness সচেতনতা সবার মধ্যে থাকা দরকার।
একটা ছোট চেষ্টাতেই মন ভরে যায়। আমি অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন স্বামী একদিন রাত ১২টায় উঠে আমার জন্য আমড়া আনল। কে জানত, সেই gesture ইঙ্গিত আজও মনে রাখব?
সেলেবদের কথা শুনলে ভালো লাগে, কিন্তু আমাদের মতো সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে workload কাজের চাপ কম নয়। সত্যি বলতে, ছুটি নেওয়া কতটা possible সম্ভব?
দীপিকা ঠিকই বলেছেন। আমার ভাই বাবা হয়েছিলেন, আর বোন সারা সময় বলত, 'ও আমার পাশে নেই'। তারপর বিয়ে ভেঙে গেল। এই emotional support আবেগীয় সমর্থন ছাড়া সম্পর্ক টেকে না।
হবু মায়ের মানসিক অবস্থা সত্যিই ভাঙা কাচের মত। একটু অযত্নই risk ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। রণবীরের কাজ তাই নজির তৈরি করে।
বাবা হওয়া মানে শুধু নাম নয়, involvement জড়িত থাকা। যদি ছুটি না নেওয়া যায়, তবু ফোনে কথা বলা, সময় দেওয়া — এগুলোই তো গুরুত্বপূর্ণ।