আইসিসি ওয়েবসাইটে এখনো বুলবুল: প্রশাসনিক বিলম্ব নাকি আন্তর্জাতিক অবহেলা?
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (council ) ওয়েবসাইটে এখনো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান হিসেবে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নাম। অথচ গত ৭ এপ্রিল থেকে বিসিবির দায়িত্ব চলছে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন একটি ad-hoc কমিটির হাতে। এই বিসংগতি কেবল বাংলাদেশের ক্ষেত্রেই নয়, এটি একটি বৃহত্তর প্রশাসনিক জটিলতার অংশ — যেখানে জাতীয় পরিবর্তনের সঙ্গে আইসিসির আনুষ্ঠানিক তালিকা এখনো updated হয়নি। এটা দেখা যাচ্ছে যে, ভারত কিংবা শ্রীলঙ্কার মতো দেশগুলোতেও একই pattern দেখা যাচ্ছে।
সাধারণত কোনো দেশের বোর্ডের leadership পাল্টালে সেই তথ্য আইসিসিকে জানানো হয়, যাতে তারা তা নিজেদের official নথিতে সংশোধন করতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এখনো সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। এমনকি, বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার বর্তমান সভাপতি মিঠুন মানহাস হলেও আইসিসির তালিকায় এখনো দেবজিত সাইকিয়া ও রজার বিনির নাম। এটি নির্দেশ করে যে আইসিসির প্রশাসনিক কাঠামো কখনো কখনো রাজনৈতিক বা সংস্থাগত পরিবর্তনের চেয়ে delayed থাকে, যা আন্তর্জাতিক চুক্তি, প্রতিনিধিত্ব বা ভোটের বিষয়ে জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।
অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কা যেখানে একেবারে স্থিতিশীল নয়, সেখানে আইসিসির তালিকা এখনো শাম্মি সিলভা ও বান্দুলা দিসানায়েকের নাম দেখাচ্ছে। অথচ সরকার দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে ক্রিকেট কমিটি ভেঙে দিয়েছে। আইসিসি এর আগেও সরকারি হস্তক্ষেপের কারণে শ্রীলঙ্কাকে suspended করেছিল। এবারও যদি পরিস্থিতি একই রকম থাকে, তাহলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের status নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। এটি কেবল শ্রীলঙ্কার জন্যই নয়, এটি আইসিসির নীতি, আন্তরিকতা এবং নিজের নিয়ম কতটা কঠোরভাবে মেনে চলে তার পরীক্ষা।
এই ধরনের প্রশাসনিক গ্যাপ ক্রিকেট জগতে নতুন নয়। কিন্তু এটি খেলার পেছনের structure কতটা নমনীয় বা জড়তাগ্রস্ত তা প্রশ্নবিদ্ধ করে। বিসিবি তামিম ইকবালের অধীনে নতুন করে পথ চিহ্নিত করতে শুরু করলেও, আইসিসির ওয়েবসাইটে পুরনো নাম থাকা এক অদ্ভুত বিচ্ছিন্নতা তৈরি করেছে। বাংলাদেশের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের মতো দেশগুলোতে দুজন করে representative রয়েছেন, যা আইসিসির নিজস্ব policy অনুযায়ী স্থির হয়েছে। কিন্তু বদলের স্রোতে ধীর প্রতিক্রিয়া ক্রিকেটের প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষুণ্ণ করতে পারে।
আইসিসি কি আদৌ আপডেট করে? এত দিন পরও পুরনো নাম দেখে মনে হয় তাদের system সিস্টেম কাজ করছে না।
তামিম নতুন নেতৃত্ব, কিন্তু আমি পছন্দ করি যে পরিবর্তন ধীরে আসুক, যাতে স্থিতিশীলতা থাকে।
আইসিসি শ্রীলঙ্কাকে বারবার নিষিদ্ধ করেছে, কিন্তু নিজেদের website ওয়েবসাইট আপডেট করতে পারছে না? আত্মবিরোধী।
এই বিষয়গুলো নিয়ে খুব একটা attention মনোযোগ দেয়া হয় না, কিন্তু আন্তর্জাতিক মহলে এটা বড় বিষয়।
বুলবুল নাম থাকা মানে কি বিসিবির আনুষ্ঠানিক মান্যতা এখনো আগের মতোই?
আইসিসি যদি নিজেদের policy নীতি মানত, তাহলে প্রতিটি পরিবর্তন তৎক্ষণাৎ হালনাগাদ হত।