বুলবুলের এসিসি চাকরির দাবি মিথ্যা, নিজেই জানালেন
গত ৭ এপ্রিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয়ার পর থেকে ক্রিকেট জগতে একটি new বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন দাবি ছড়িয়ে পড়ে যে, পদচ্যুত বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই claim দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে, কিন্তু তা সত্য নয়।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলে বুলবুল স্পষ্ট করেছেন, তার বিরুদ্ধে ছড়ানো এই খবরটি "fake " এবং "বোগাস"। তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে, এসিসির সঙ্গে তার আলোচনা ongoing । এই স্পষ্টকথন গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি কেবল তথ্যের সত্যতা নয়, বরং একটি বড় pressure কমাতে সাহায্য করেছে যা ক্রিকেট প্রশাসনের ওপর তৈরি হচ্ছিল।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বুলবুল গত বছরের সেপ্টেম্বরে এসিসির ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন, কিন্তু সেটি ছিল বিসিবি সভাপতি থাকার সময়। বর্তমানে তিনি এসিসির ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র একজন এক্সিকিউটিভ বোর্ড মেম্বার হিসেবে তালিকাভুক্ত। এটি নির্দেশ করে যে তার বর্তমান ভূমিকা আগের মতো official নয়।
এই ঘটনা আবার মনে করিয়ে দিয়েছে কতটা quickly ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়তে পারে, বিশেষ করে ক্রিকেট ম্যানেজমেন্টের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে। একটি মিথ্যা report শুধু ব্যক্তির নাম নষ্ট করে না, বরং পুরো ক্রিকেট কমিউনিটির মধ্যে confusion তৈরি করে। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত কোনো দাবি বিশ্বাস করার আগে তার সত্যতা যাচাই করা অপরিহার্য।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ moment , কারণ নতুন অ্যাডহক কমিটি যে পথ তৈরি করছে, তা ভবিষ্যতের জন্য একটি plan নির্ধারণ করবে। এমন সময় ভুল তথ্যের প্রচার ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে trust নষ্ট করতে পারে। তাই সঠিক তথ্য ছড়ানো শুধু সাংবাদিকদের দায়িত্ব নয়, প্রতিটি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীর জন্য এটি একটি দায়িত্ব।
ভাই সোশ্যাল মিডিয়ায় এত fake মিথ্যা খবর কেন ছড়ায়? একটু ভাবলেই তো বোঝা যায় এগুলো সত্যি না।
বুলবুল যদি সত্যিই এসিসিতে চাকরি পেতেন, তাহলে তো আনুষ্ঠানিক announcement ঘোষণা হতো। কিন্তু কিছু নেই।
আগের সেপ্টেম্বরে তিনি চেয়ারম্যান হয়েছিলেন, এটা জানি। কিন্তু এখন আবার নতুন করে নিয়োগ? এটা কি সম্ভব? একটু doubt সন্দেহ আছে।
এসিসির ওয়েবসাইটে শুধু বোর্ড মেম্বার হিসেবে আছেন— এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ detail বিষয়। চেয়ারম্যান হলে তা উল্লেখ থাকত।
পদত্যাগের পর এত তাড়াতাড়ি আন্তর্জাতিক পদ? এটা দেখে মনে হয় না। কিন্তু আলোচনা চলছে বলে স্বীকার করাটা বুদ্ধিমানের move চাল।
তামিমের নেতৃত্বে নতুন কমিটি আসছে, এখন এসব ভুয়া খবর ছড়ানোর চেষ্টা কেন? এতে কি কোনো political রাজনৈতিক খেলা আছে?