চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে বার্সা ও লিভারপুল
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে আজ দুটি ম্যাচ নির্ধারণ করবে ইউরোপীয় ফুটবলের পরবর্তী ধাপ। বার্সেলোনা আর লিভারপুলের মতো বিশাল ক্লাবগুলি ডু অর ডাই ম্যাচে নামছে, যেখানে হারার মানে হবে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায়। বার্সেলোনা অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে মাঠে নামবে পিছিয়ে থাকা অবস্থায়, আর লিভারপুল অ্যানফিল্ডে পিএসজির বিপক্ষে ফিরে আসার chance খুঁজবে।
বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল ম্যাচের আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তাঁরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করবেন। pressure যত বাড়ুক না কেন, তাঁদের মানসিকতা হলো আত্মসমর্পণহীন। তিনি বলেছেন, ক্লাবের জার্সি গায়ে মাঠে নামা মানেই সবকিছু উজাড় করে দেওয়া। এর আগে কোপা দেল-রেতে বড় ব্যবধানে জয় সত্ত্বেও বিদায় নেওয়ার অভিজ্ঞতা তাদের risk বুঝতে সাহায্য করছে।
অন্যদিকে, অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের কোকে এই ম্যাচকে ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর কথায়, এটি শুধু একটি ফুটবল ম্যাচ নয়, এটি ক্লাবের ইতিহাসের অংশ হতে পারে। তাঁর মধ্যে এখনও সেই ২০১৪-এর স্মৃতি জাগছে, যখন অ্যাতলেটিকো বিরাট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছিল। তাই তিনি মনে করেন, এই খেলায় শুধু খেলার চেয়ে বড় কিছু রয়েছে।
লিভারপুলের কোচ আর্নে স্লট ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন, কিন্তু সেই সঙ্গে warning দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, পিএসজি কোনো সাধারণ প্রতিপক্ষ নয়। তাঁদের বিপক্ষে বিশেষ কিছু করতে হবে, যা সম্ভব হবে শুধু অসাধারণ খেলা দিয়ে। অ্যানফিল্ডের ইতিহাস তাঁদের পাশে থাকবে বলে তাঁর বিশ্বাস।
দুই ম্যাচই আজ রাত বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় শুরু হবে। এই সময় দুটি ম্যাচের ফলাফল শুধু কোয়ার্টার ফাইনালের ক্রসিং নয়, এটি দলগুলির reputation এবং তারকা কোচদের উত্তরাধিকার নির্ধারণেও ভূমিকা রাখবে। দর্শকদের জন্য এটি হবে চূড়ান্ত রোমাঞ্চের রাত।
বার্সার জন্য এটা সত্যিই ডু অর ডাই ম্যাচ। ইয়ামালের মতো ছেলে যদি না লড়ে, তবে আর কে লড়বে?
কোকের কথায় ইতিহাসের গন্ধ পাচ্ছি। ঐতিহাসিক মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করছে অ্যাতলেটিকো। pressure চাপ বার্সার উপর, কিন্তু কোকের উপরও কম নয়।
লিভারপুল হারলে স্লট কি চাকরি হারাবেন? এত risk ঝুঁকি নিয়ে খেলা?
আমি মনে করি লিভারপুল ফিরবে। অ্যানফিল্ডের magic জাদু এখনও কাজ করে।
পিএসজি শক্তিশালী, কিন্তু লিভারপুলের বাড়িতে খেলা মানেই huge challenge বিশাল চ্যালেঞ্জ।
বার্সা যদি হারে, তাহলে আবার মনে পড়বে ২০১৪-এর মতো দিন। এই প্রজন্মের জন্য কি উত্তরাধিকার গড়া সম্ভব?