অ্যানফিল্ডেও পিএসজির দাপট, বিদায় লিভারপুলের
অ্যানফিল্ডের গর্জনমুখর মাঠেও পিএসজির পাল্টা আক্রমণের pressure সামলাতে পারল না লিভারপুল। দুই লেগে ৪-০ ব্যবধানে হোয়াইট ওয়ালের বিপক্ষে হোয়াইট ওয়াশের মতো জয় ছিনিয়ে নিল ফরাসি দল। উসমান দেম্বেলের জোড়া গোলে decision ঘুরে গেল ম্যাচের, আর লিভারপুলের শিরোপার স্বপ্ন ভাঙল চূড়ান্তভাবে।
প্রথম লেগে ২-০ এর এডভান্টেজ নিয়ে এসেছিল পিএসজি, এবং অ্যানফিল্ডেও তারা নিজেদের কৌশল ও plan ঠিক রাখল। লিভারপুলের ঘরের মাঠে আক্রমণের ঝাঁপটা ছিল তীব্র, কিন্তু পিএসজির risk নেওয়া পাল্টা আক্রমণ ছিল মারাত্মক। চোটের ধাক্কা হুগো একিটিকির, আর মাঠে নামলেন সালাহ। তবু প্রথমার্ধ গেল গোলশূন্য।
দ্বিতীয়ার্ধে লিভারপুল ক্ষুরধার হয়ে উঠল। গোল পেতে support পেল তারা সমর্থকদের উচ্ছ্বাস থেকে। কিন্তু ঠিক তখনই ৬৭ মিনিটে উসমান দেম্বেলের নিখুঁত শটে পিএসজি এগিয়ে গেল। সেই গোলই বদলে দিল ম্যাচের impact । দলের আত্মবিশ্বাস বেড়ে গেল, আর লিভারপুলের আক্রমণের ধার কমে এল।
quickly আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় গোলটি এল যোগ করা সময়ে। ব্রেডলি বার্কোলার পাস পেয়ে দেম্বেলে সহজেই বল জালে জড়ালেন। এই গোলই নিশ্চিত করল পিএসজির সেমিফাইনালে উত্থান। তাদের পরবর্তী প্রতিপক্ষ হবে বায়ার্ন মিউনিখ বা রিয়াল মাদ্রিদের বিজয়ী।
লিভারপুলের জন্য এটি ছিল হতাশার ম্যাচ। নিজেদের মাঠে এত বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছে, আর এই loss নিশ্চিত করে দিল যে এবারের শিরোপা তাদের নয়। অন্যদিকে, পিএসজি আবারও প্রমাণ করল তারা শুধু ফ্রেঞ্চ লীগেই নয়, ইউরোপেও শীর্ষ স্তরের প্রতিদ্বন্দ্বী।
অ্যানফিল্ডে এত বড় হার? এটা শুধু খেলা না, মানসিক pressure চাপ সামলাতে পারেনি লিভারপুল।
দেম্বেলের পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। একাই বদলে দিল ম্যাচের outcome ফলাফল।
প্রথম গোলের পর থেকেই লিভারপুলের আক্রমণে energy শক্তি কমে গেল। মনে হচ্ছিল, গোলটা তাদের ভেতরে ঢুকে গেছে।
পিএসজির defense রক্ষণভাগ কতটা স্থির ছিল, সেটা এই ম্যাচে স্পষ্ট। কোনো ভুল ছিল না।
চোট একিটিকির? সেটাই ম্যাচের প্রথম বড় মোড়। তারপর আর ফিরতে পারল না লিভারপুল।
অ্যানফিল্ডে এত শান্ত সমর্থক? সাধারণত যে গর্জন থাকে, সেটা এবার নেই। মনে হচ্ছিল সবাই shock অবাক।