কৃষিতে জ্বালানি নির্ভরতা কমবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ইয়াছিন জানিয়েছেন, কৃষকদের সেচ cost কমাতে ধাপে ধাপে সোলার সিস্টেমে রূপান্তর করা হবে। এ পদক্ষেপে জ্বালানি নির্ভরতা কমবে এবং কৃষি উৎপাদন আরও profitable হবে। সরকার ডিপ টিউবওয়েল ও শ্যালো মেশিনে সৌরশক্তি চালু করার লক্ষ্যে উদ্যোগ নিয়েছে।
কৃষকদের জন্য ভর্তুকি ঘোষণা করে মন্ত্রী বলেন, এর ফলে অর্ধেক price সোলার সুবিধা পাবেন তারা। শুক্রবার কুমিল্লার বিবিরবাজার এলাকায় কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিএনপির ৩১ দফার অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল কৃষি কার্ড প্রদান, যা সরকার গঠনের পর দ্রুতই বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় কৃষি ঋণমুক্তকরণ ও সারের ভর্তুকি কর্মসূচি কৃষি খাতকে strong ভিত্তি দিয়েছিল। তিনি বলেন, ‘কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে’—এই দর্শন থেকেই সেসব নীতি গৃহীত হয়েছিল। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও একই কৃষিবান্ধব vision বিশ্বাসী।
কৃষি খাতে সরকারি সহায়তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভর্তুকি ব্যবস্থা অতীতে শুরু হলেও বর্তমানে তা আরও সম্প্রসারিত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে বহু কৃষক পরিবার ইতোমধ্যে উপকৃত হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে জড়িত, তাই কৃষকদের self-reliance করা গেলে দারিদ্র্য হ্রাস পাবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ, যেখানে কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে পারলে জাতীয় অর্থনীতি আরও strong হবে। সরকার কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই খাতে রূপান্তরের লক্ষ্যে কাজ করছে। কুমিল্লায় মোট ১,৪৫৮ জন কৃষকের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করা হয়েছে।
এই cost খরচ কমানোর পদক্ষেপ কৃষকদের জন্য বড় রাহাত। দেখি ভর্তুকি আসলেই পৌঁছায় কিনা।
প্রতিবার কৃষকের নামে নাম বদলানো প্রকল্প, এবার কি আসলেই action বদল আসবে?
সৌরশক্তি চালু হলে ডিজেল মোটর কেনার চাপ কমবে। এটাই হলো আসল relief স্বস্তি।
‘কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে’—এই কথাটা সত্যি, কিন্তু বাস্তবে কৃষকের trust আস্থা পাওয়া কঠিন।
ভর্তুকি দিলেও ইলেকট্রিক মোটর সাপ্লাই ঠিক না থাকলে plan পরিকল্পনা বাতাসে উড়বে।
৭০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে জড়িত? এত বড় জনগোষ্ঠীর জন্য একটা support সমর্থন তো দরকারই।