ক্রয়কৃত জমি দখলমুক্তির দাবিতে ছাত্রদল নেতার সংবাদ সম্মেলন
গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে নিজের ক্রয়কৃত জমি থেকে pressure উপেক্ষা করে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন স্থানীয় ছাত্রদলের সাবেক নেতা রায়হান হোসেন হৃদয়। তাঁর অভিযোগ, আইনি দলিল থাকা সত্ত্বেও জমি দখলমুক্ত করতে পারছেন না, কারণ স্থানীয় কিছু আওয়ামী লীগ নেতার সমর্থনে একটি গ্যাং জোরপূর্বক ওই জমিতে বাড়ি নির্মাণ করে ভাড়া দিচ্ছে। এ ঘটনায় তাঁকে প্রাণনাশের threat দেয়া হয়েছে, এমনকি পুলিশে অভিযোগ করার পরও কোনো response পাওয়া যায়নি।
রায়হান বলেন, ২০২৪ এর ডিসেম্বরে তিনি আইনগতভাবে চারজনের কাছ থেকে ১২ শতাংশ জমি purchased করেন। কিন্তু কয়েকজন স্থানীয় নেতা তাঁর ক্রয়কৃত জমি দখলে নেওয়ার জন্য হান্নান, ফজলু, মিন্টু ও অন্যদের দিয়ে বাড়ি নির্মাণ করায়। তাঁদের action ছিল সুনিশ্চিত যে তিনি জমির কাজে হাত দিতে না পারেন। এতে তাঁর আর্থিক ক্ষতি হয়েছে এবং সামাজিকভাবে তিনি victim হয়ে পড়েন।
তিনি জানান, কোনাবাড়ী মেট্রো থানায় বারবার অভিযোগ করা সত্ত্বেও তদন্তের নামে বিলম্ব করা হয়। পুলিশ কর্তৃপক্ষ বলেছে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে, কিন্তু অভিযুক্তরা কোনো negotiation বা শালিসে বসতে রাজি হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে তাঁর উপর চাপ আরও বেড়েছে। এর মধ্যে সদ্য তাঁকে জমি পরিদর্শনের সময় আক্রমণ করা হয়, যা ঘটনার উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
রায়হান বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে যাতে তিনি আইনি জটিলতায় পড়েন। এটি তাঁর সামাজিক মর্যাদায় damage করেছে। তিনি প্রশাসনের কাছে দ্রুত সুষ্ঠু বিচারের আহ্বান জানান এবং আশা করেন তাঁর property ফিরে পাবেন। এ ধরনের ঘটনা সাধারণ মানুষের আইনের প্রতি trust কমায় এবং স্থানীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের ছবি তুলে ধরে।
স্থানীয় এলাকাবাসী বলছেন, এ ধরনের দখলদারি নতুন নয়। কিন্তু যখন কেউ আইনি ব্যবস্থা নেয়, তখন প্রায়শই তাঁদের সামনে দাঁড়ায় ক্ষমতার জোর। প্রশাসন যদি দ্রুত intervention না করে, তবে এটি সামাজিক injustice হিসেবে বিবেচিত হবে। একজন নাগরিকের সরল দাবি এখন রাজনৈতিক প্রভাবের মুখোমুখি হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য চিন্তার বিষয়।
একজন সাধারণ মানুষ আইনের আশ্রয় নিলেও যদি ক্ষমতার লোকের কাছে হার মানে, তবে public trust জনগণের আস্থা কোথায় যাবে?
ক্রয়কৃত জমি দখল করা হয়েছে আওয়ামী লীগ নেতাদের সমর্থনে? এটা নিয়ম ভাঙার চেয়েও বড় কালো গল্প।
পুলিশ তদন্ত করছে, কিন্তু কোনো action ব্যবস্থা নেয়নি। এটা কি আদৌ তদন্ত, নাকি সময় কাটানো?
সংবাদ সম্মেলন করা মানেই শেষ পর্যন্ত একা পড়ে গেছেন। আইন যখন কাজ করে না, pressure চাপ গণমাধ্যমে তৈরি করতে হয়।
আগে জমি কিনেছিলেন, এখন সেটা ফেরত দিতে হচ্ছে কেন? এটা কি আদৌ justice বিচার? নাকি ক্ষমতার খেলা?
এমন ঘটনা ঘটলে প্রশাসন অবিলম্বে intervene হস্তক্ষেপ করা উচিত। সময় গেলে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাবে।