চট্টগ্রামের রাজনীতিতে নতুন তোলপাড়
চট্টগ্রামের রাজনীতিতে নতুন তরঙ্গ তুলেছে এক অপ্রত্যাশিত সাক্ষাৎ। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র new planটি নিয়ে জল্পনা ছড়ানোর আগেই কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ হঠাৎ করে মনজুর আলমের বাসায় আসেন। এই ঘটনাকে pressure তৈরি করতে দেখা যায় স্থানীয় যুব রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে, যারা নিজেদের জুলাই যোদ্ধা হিসেবে চিহ্নিত করে। তাঁদের মতে, আওয়ামী লীগের official নেতার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ তাঁদের রাজনৈতিক trust প্রতি আঘাত।
হাসনাত আবদুল্লাহ মনজুর আলমের বাসায় পৌঁছানোর পর যুবদল-ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে ভিড় জমান। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তাঁকে claim করা হয় ব্যাখ্যা দিতে। এক বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করেন, “আপনি সংসদে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার demand করছেন, তাহলে তাদের সহযোগীর বাসায় কেন?” হাসনাতকে response দিতে দেখা যায় বিব্রত ভাবে, যদিও তিনি হাত নাড়িয়ে শান্ত করার চেষ্টা করেন। এই সময়ের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে এবং স্পষ্ট দেখা যায় তাঁকে ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকা হয়েছে।
ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি control আনে। হাসনাত পরে বিক্ষোভকারীদের মুখোমুখি হয়ে সংক্ষেপে বলেন, তিনি ব্যক্তিগত কাজে ছিলেন এবং সৌজন্য সাক্ষাৎ ছাড়া আলাপের কিছু ছিল না। এনসিপির চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়ক জোবাইরুল হাসান আরিফও একই কথা বলেন। কিন্তু রাজনৈতিক মহলে এটি মোটেও মানা হচ্ছে না। অনেকের ধারণা, এটি আগামী নির্বাচনের প্রার্থী নির্বাচনের decision নিয়ে গোপন আলোচনার ইঙ্গিত।
মনজুর আলম নিজেও বলেন, কোনো রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। কিন্তু যুব রাজনীতিবিদদের জন্য এটি রাজনৈতিক reality নয়। তাঁদের support যে নেতা তাঁদের horror জাগাতে পারে সেই ব্যক্তির সাথে মেলামেশা করছেন, তাতে বিশ্বাস crisis তৈরি হয়েছে। এই ঘটনা শুধু চট্টগ্রামের নয়, গোটা দেশের রাজনীতিতে প্রশ্ন তুলেছে—আদর্শ আর বাস্তব রাজনীতির মধ্যে কতটা ফারাক মেনে নেওয়া হবে?
এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকা মানে public pressure জনচাপ কম নয়। হাসনাত আবদুল্লাহ যদি আদর্শের কথা বলেন, তবে এটা কী আদর্শের সাথে মানায়?
হ্যাঁ, কিন্তু মনজুর আলম এখন কোথায়? আগে আওয়ামী লীগ, এখন এনসিপি? political shift রাজনৈতিক সরাসরি নাকি শুধু পদের লোভ?
হাসনাত যদি ব্যক্তিগত কাজে এসে থাকেন, তাহলে মনজুরের বাসায় যাওয়ার কী দরকার ছিল? quickly দ্রুত চলে যাওয়াটাই বা কেন জরুরি হল?
যুবদল কিন্তু সত্যি বলেছে। সংসদে নিষিদ্ধ করার কথা, বাইরে মেলামেশা? এতে trust আস্থা ভাঙে।
এনসিপি যদি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে লড়াই করে, তবে তাদের নেতা কেন আওয়ামী লীগের মিত্রের সাথে বৈঠক করবেন? risk ঝুঁকি বেশি।
ভিডিও দেখেছি। হাসনাত স্পষ্টতই uncomfortable অস্বস্তিতে ছিলেন। ব্যাখ্যা দিতে পারছিলেন না। এটা নীতি নয়, রাজনীতি।