প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ-পদায়নের দাবিতে এবার সংবাদ সম্মেলন ডাকা হল
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে assistant teachers হিসেবে recruitment পেয়েও ১৪ হাজারের বেশি চাকরিপ্রার্থী এখনো যোগদান করতে পারছেন না। চূড়ান্ত ফল প্রকাশের প্রায় দুই মাস পার হয়ে গেলেও তাদের হাতে appointment letters এখনো আসেনি। এ নিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে বাড়ছে হতাশা আর অনিশ্চয়তা। আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এক press conference করে তারা immediate recruitment চেয়ে দাবি জানান।
মোহাম্মদ হুমায়ুন আহমেদ নামের এক চাকরিপ্রার্থী বলেন, ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত এই exam পর গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশের তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে যে প্রক্রিয়াটি ছিল transparent । ভাইভা পর্বও সম্পন্ন হয়েছে, এবং সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের documents জমা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এতদিন পরও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তারা mentally , পারিবারিক ও অর্থনৈতিকভাবে trauma মধ্যে রয়েছেন। অনেকে আগের চাকরি ছেড়েছেন, এখন তারা despair ডুবে আছেন।
রিফাত জাহান অমি নামের আরেক প্রার্থী বলেন, কাগজপত্র দেওয়ার ডেডলাইন পার হয়ে ডেডলাইন পার হয়ে আড়াই মাস কেটে গেছে, কিন্তু এখনো কোনো final joining নির্দেশ আসেনি। তারা public trust হারাচ্ছেন, বিশেষ করে যখন সরকার প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নের commitment দিচ্ছে। এই চাকরিপ্রার্থীদের মতে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর তাদের কাজ শেষ করেছে, এখন শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের approval বাকি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত প্রার্থীরা ‘মেধার জয় হোক’, ‘বাস্তবায়ন চাই’ এবং ‘faster recruitment ’-সহ বিভিন্ন স্লোগান তোলেন। তাদের দাবি, এই বিলম্ব ন্যায়বিচারের বিরুদ্ধে এবং প্রাথমিক শিক্ষার মান রক্ষায় এতে serious impact পড়বে। যদি যোগ্য প্রার্থীদের সময়মতো নিয়োগ না দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এ ধরনের পরীক্ষায় public interest কমে যাবে।
১৪ হাজার মানুষের ভবিষ্যৎ এভাবে ঝুলিয়ে রাখা কতটা unfair অন্যায়, ভাবতেই কষ্ট লাগে।
গোয়েন্দা সংস্থা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছে, তাহলে আর delay বিলম্ব কেন? এটা কি শুধু আধিকারিকদের অদক্ষতা?
যারা পুরনো চাকরি ছেড়েছে, তাদের financial stress আর্থিক চাপ কতটা বেশি হতে পারে ভাবুন তো!
‘merit মেধা’ বলে সবাই চিৎকার করে, কিন্তু যখন মেধাবীদের ফেলে রাখা হয়, তখন কেউ কথা বলে না।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় কি এখনো final approval চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি? এটা কি রাজনৈতিক ইঙ্গিতের অপেক্ষায়?
এত দেরি হলে পরের বার কেউ apply আবেদন করবে কিনা সন্দেহ।