পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন ২০২৬ সংবাদ: ‘একটাও ভুল করবেন না, সব ভোট TMC-কেই দেবেন’, রান্না...
violence আর tension দিন দিন বাড়ছে পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে। এপ্রিল ২০, ২০২৬-এ একাধিক ঘটনা রাজ্য জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। মুর্শিদাবাদের শক্তিপুরে একটি স্কুলে central forces এক জওয়ানকে fired at করা হয়। তাঁর বাঁ কাঁধে গুলি লেগেছে। ঘটনাস্থলে chaos পড়ে যায়। এর কয়েক ঘণ্টা আগে, গোসাবায় তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। বাইকে করে বাড়ি ফেরার সময় ওই কর্মী গুলিবিদ্ধ হন। পুলিশ ৩ জন বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করেছে।
এই সহিংসতার পাশাপাশি, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে উঠেছে নতুন অভিযোগ। বুথে যাওয়ার আগে presiding officers surety bond দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশকে কেন্দ্র করে controversy শুরু হয়েছে। বিএলও ঐক্যমঞ্চ প্রশ্ন তুলেছে—কেন এমন ব্যবস্থা নেওয়া হল? অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্টে উঠেছে ভোটার তালিকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ। আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী অভিযোগ করেছেন, ভোটার তালিকা frozen হওয়ার পরও ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে হাজার হাজার নতুন নাম যুক্ত করা হচ্ছে, যা illegal ।
অপরদিকে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে তলব করেছে। ব্যবসায়ী জয় কামদারের অ্যাকাউন্টে ৪ মাসে ৫০০ কোটি টাকার লেনদেন পাওয়া গেছে। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইপ্যাকের ডিরেক্টর ঋষিরাজ সিংকেও তলব করা হয়েছে। আর কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিনহার বাড়িতে ২০ ঘণ্টা তল্লাশি চলার পর তাঁকে এবং তাঁর দুই ছেলেকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইডির অভিযোগ, তাঁদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে illegal transactions হয়েছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিকে দাবি করেছেন, তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে arrest plans রয়েছে এবং তাঁদের কাছে সেই তালিকা এসেছে। তিনি ঘোষণা করেছেন, "আমরাও কোর্টে যাব, ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে লড়ব।" তিনি দাবি করেন, "সবচেয়ে বড় চোর বিজেপি।" নির্বাচন কাছে এলে রাজনৈতিক rhetoric আরও তীব্র হচ্ছে। কিন্তু এই তীব্রতা কতটা গণতান্ত্রিক process বজায় রাখবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ভোটের মাঠে শান্তি আর স্বচ্ছতা কতটা ensured করা হবে, তা এখন সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয়।
প্রিসাইডিং অফিসারদের মুচলেকা দেওয়া কতটা fair ন্যায্য? এটা কি আসলে ভারি চাপ তৈরি করবে না তাদের উপর?
৫০০ কোটি টাকা ৪ মাসে? এই scale পরিমাণ লেনদেন কোনো বৈধ ব্যবসায় সম্ভব না। সবকিছু মিলিয়ে দেখলে বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নেই।
গোসাবায় গুলি, মুর্শিদাবাদে আক্রমণ—এগুলো কি আসলে নির্বাচনের অংশ? নাকি মানুষের fear ভয় দেখিয়ে ভোট কেড়ে নেওয়ার ছক?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা শুনলে মনে হচ্ছে কেবল বিজেপিই দোষী। কিন্তু violence সহিংসতা তো একতরফা না। তৃণমূলের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আছে।
সুপ্রিম কোর্টে আবেদন হলেও অ্যাপেলেট ট্রাইবুনাল ignoring অগ্রাহ্য করছে? এটা কি গণতন্ত্রের পক্ষে স্বাস্থ্যকর?
শান্তনু সিনহার ছেলেদের বিরুদ্ধে তলব? এটা কি due process ন্যায্য বিচার নাকি আগাম শাস্তি?
আমরা সাধারণ মানুষ ভোট দিই, কিন্তু কে কত corruption দুর্নীতি করছে, তা আমাদের জানার অধিকার আছে।
সব রাজনৈতিক দলই শুধু blame দোষ দেয়। কেউ কি ভোটের শান্তি নিশ্চিত করার কথা ভাবছে?