টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ, আইসিসি তদন্তে নামল
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের allegation নিয়ে ক্রিকেট জগতে শুরু হয়েছে তীব্র tension । ২০২৬ সালে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হওয়া এই বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে কানাডা ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে খেলা হওয়া ম্যাচটি ঘিরে উঠেছে সন্দেহের ছায়া। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দুর্নীতি বিরোধী শাখা (এসিইউ) এখন তদন্তে নেমেছে, যা খেলার integrity নিয়ে উঠে যাওয়া প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে।
অভিযোগ উঠেছে কানাডার অধিনায়ক দিলপ্রীত বাজওয়ার বিরুদ্ধে, বিশেষ করে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর ইনিংসের পঞ্চম ওভারটি নিয়ে। ওই ওভারে তিনি নো-বল ও লেগ সাইডে ওয়াইডসহ মোট ১৫ রান হাতিয়ে দেন, যা স্বাভাবিক পারফরম্যান্সের বাইরে। এছাড়া জসকরণ সিং ও দিলন হেলিগারের মতো পেসারদের করা কয়েকটি ওভারও ঘিরে রয়েছে suspicion । এসিইউ এখন এই ওভারগুলির উপর কাজ করছে এক নির্দিষ্ট plan মোতাবেক।
তথ্যচিত্র 'কোরাপশন, ক্রাইম অ্যান্ড ক্রিকেট' নামে কানাডার সিবিসি-র 'দ্য ফিফথ এস্টেট' প্রোগ্রামে সম্প্রচারিত হওয়ার পর থেকেই পুরো ঘটনাটি আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। এসিইউ-এর অন্তর্বর্তীকালীন জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ স্পষ্ট করেছেন যে তাঁরা এই report সম্পর্কে অবগত এবং তদন্ত চলছে। ক্রিকেট জগতে এই impact ক্রমশ বাড়ছে।
মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি কানাডা ক্রিকেট বোর্ডের ভেতরে চলা রাজনীতি ও দুর্নীতি নিয়েও উঠেছে গুরুতর অভিযোগ। ফাঁস হওয়া একটি পুরনো অডিও রেকর্ডিংয়ে তৎকালীন কোচ খুররম চৌহান বলছেন, বোর্ড কর্তারা তাঁকে নির্দিষ্ট খেলোয়াড় দলে নিতে forced করত। এছাড়া সাবেক সিইও সালমান খানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও জালিয়াতির মামলা থাকায় কানাডা ক্রিকেট অর্গানাইজেশন ইতিমধ্যেই ছিল crisis ।
এখন ফিক্সিংয়ের এই অভিযোগ তাদের জন্য হয়ে দাঁড়িয়েছে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক বকেয়া থাকা এবং বোর্ডের অন্দরমহলের কারসাজি ইতিমধ্যেই বিশ্বাসের crack ধরিয়েছে। আইসিসির তদন্তের ফলাফল কানাডা ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে, আর সেই সঙ্গে বিশ্বকাপের reputation রক্ষা করা নির্ভর করছে তাদের decision -এর উপর।
একটা ওভারে ১৫ রান? এটা কি আদৌ সম্ভব স্বাভাবিক ভাবে? suspicion সন্দেহ তো আসবেই।
বোর্ড কর্তারা নির্দিষ্ট খেলোয়াড় জোর করে দলে নেওয়ার চেষ্টা করলে তো দলের পারফরম্যান্স বিঘ্নিত হবেই। pressure চাপ তৈরি হয়, মনোবল ভাঙে।
আইসিসি যদি এটা গায়ে মুখ মাখা করে, তাহলে ভবিষ্যতে অন্য দলগুলোও একই কাজ করবে। integrity সততা বজায় রাখা খুব জরুরি।
কানাডার ক্রিকেট বোর্ড তো আগে থেকেই সমস্যায়। এখন আবার ফিক্সিং? এটা আর শুধু খেলা না, একটা crisis সংকট।
তথ্যচিত্রটা দেখেছি। অডিও রেকর্ডিং থেকে কোচের কণ্ঠ পরিষ্কার। বোর্ডের বিরুদ্ধে allegation অভিযোগ অমূলক নয়।
সিইও-র জালিয়াতি, পারিশ্রমিক বকেয়া, আর এখন ফিক্সিং— কতদূর যাবে এই ধ্বংস? reputation খ্যাতি ফিরবে কীভাবে?