চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে আবেদন গৌতম গম্ভীরের
ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে new planটি এগিয়ে নিতে চাইছেন গৌতম গম্ভীর। ২০২৪ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর তার নেতৃত্বে ভারত চ্যাম্পিয়ান্স ট্রফি জিতেছে, আর ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সূর্যকুমার যাদবদের হাতে শিরোপা এসেছে। এসব সাফল্যের ভিত্তিতে তিনি এখন contractটি ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত নয়, বরং ২০২৮ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য বিসিসিআইয়ের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। এটি শুধু চুক্তি বাড়ানোর অনুরোধ নয়, একটি দীর্ঘমেয়াদী vision প্রকাশ করছে।
গম্ভীরের এই decision এমন সময় এসেছে যখন ভারতের টেস্ট ক্রিকেটে পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হারের পর তার কৌশল, বিশেষ করে সিনিয়র খেলোয়াড়দের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে pressure তৈরি হয়েছে। বর্তমানে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভারত ষষ্ঠ স্থানে, যার পয়েন্ট শতাংশ ৪৮.১৫—এটি কোনও ভালো অবস্থান নয়। এমন পরিস্থিতিতে তার চুক্তি বাড়ানো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।
অন্যদিকে, টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক হিসেবে সূর্যকুমার যাদবের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আইপিএলে রান না পাওয়া এবং ২০২৮ সালে তার বয়স ৩৮ হবে—এমন প্রেক্ষাপটে তাকে ধরে রাখা কতটা practical হবে, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তবুও গম্ভীর এখনও তাকে সমর্থন করছেন, যা তার স্থিরতা এবং দলের সঙ্গে আস্থার relationship দেখায়।
বিসিসিআই এখন সামগ্রিক দল গঠন এবং ভবিষ্যতের টুর্নামেন্ট মাথায় রেখে আলোচনা শুরু করেছে। গম্ভীরের সাফল্য এবং ব্যর্থতা দুটোকেই মূল্যায়ন করা হচ্ছে। তার চুক্তি বাড়ানো হবে কি না, সেটা শুধু পারফরম্যান্সের ওপর নয়, বরং দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, leadership , এবং খেলোয়াড়দের মনোবল কতটা বজায় রাখা যাচ্ছে, তার ওপরও নির্ভর করবে। এই সিদ্ধান্ত নেবে অজিত আগরকরের নেতৃত্বাধীন নির্বাচক কমিটি।
যদিও গম্ভীর নিজের কোচিং ক্যারিয়ারে একটি সুস্পষ্ট strategy গড়ে তুলেছেন, তবুও টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের অস্থিরতা তার ওপর একটা risk তৈরি করেছে। পারফরম্যান্সের চাপ আছে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে ঠিক সেই চাপের বাইরে গিয়ে। ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ কি গম্ভীরের হাতেই নিরাপদ?
টেস্টে এত হারলেও চুক্তি বাড়বে? pressure চাপ নেই তো বিসিসিআইয়ের ওপর!
সূর্যকুমারকে ধরে রাখা উচিত, বয়স বাড়ছে ঠিকই, কিন্তু তার performance পারফরম্যান্স এখনও টপ।
গম্ভীরের নেতৃত্বে শর্ট ফরম্যাটে সাফল্য আছে, কিন্তু টেস্টে strategy কৌশল নিয়ে প্রশ্ন। একটা স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি দরকার।
বিরাট-রোহিতকে বাদ দেওয়া, টেস্টে হার—সব মিলিয়ে trust আস্থা কমছে কোচের ওপর।
২০২৮ পর্যন্ত ভাবছেন? এটা না হয় long-term দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। কিন্তু আগামীকাল কে জানে!
বিসিসিআই যদি শুধু ফলাফল না দেখে leadership নেতৃত্ব দেখে, তাহলে গম্ভীর থাকবেন।