বোলারদের ব্যাট, ইতিহাসের ধাক্কা
cricket ইতিহাসে মাঝেমধ্যেই এমন মুহূর্ত আসে, যখন ব্যাট হাতে বোলাররা ভূমিকা বদলে ফেলেন। সাধারণত ব্যাটিংয়ের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া এই বোলারদের হঠাৎ করেই উদ্ধারকর্তা হয়ে উঠতে হয়—যেমনটা ঘটেছে ইংল্যান্ডের সাসেক্সের ক্ষেত্রে। record ভাঙা বা গড়ার কথা ভাবা হয় শীর্ষ ক্রিকেটারদের নিয়ে, কিন্তু এবার তা ঘটল নিম্নমুখী দলের শেষের দিকের দুই খেলোয়াড়ের হাত ধরে।
সারের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচে সাসেক্স শুরু করে বিপর্যয়ের মধ্যে দিয়ে। শীর্ষ ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার কারণে score দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ৯২—যা মাত্র ২৯ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারানোর পর কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। কিন্তু তখনই জ্যাক কার্সন এবং ওলি রবিনসন মাঠে নামেন। তাঁদের মধ্যে গড়ে ওঠা partnership ছিল নবম উইকেটের, যা পরবর্তীতে পরিণত হয় ১৭৩ রানে। এই inning ছিল লড়াকু মনোভাবের প্রতীক।
কার্সন মাত্র ১৪৯ বলে ১৪টি চার মেরে করেন ১০৫ রান, আর রবিনসন নামেন ১০ নম্বরে এবং অপরাজিত থেকে ১৫২ বলে করেন শতরান, যার মধ্যে ছিল ১২টি চার ও একটি ছক্কা। এই আগ্রাসী এবং ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে তারা দলকে নিয়ে আসেন ৩৫৮ রানে। একজন বোলারের ব্যাটিং মাঝেমধ্যে হয়, কিন্তু একসঙ্গে দুই নিচের অর্ডারের বোলারের শতরান—এমনটা আগে প্রথম শ্রেণির ম্যাচে কখনও দেখা যায়নি।
এই অসাধারণ ইনিংস শুধু সাসেক্সের জন্যই নয়, পুরো ক্রিকেট বিশ্বের জন্য একটি মাইলফলক। যখন সবাই হাল ছেড়ে দিয়েছিল, তখন এই দুই খেলোয়াড় প্রমাণ করলেন যে ক্রিকেটে fight কোনও পজিশন দেখে নয়, মানসিকতা দেখে। তাঁদের এই আত্মবিশ্বাস এবং confidence অনেক যুব খেলোয়াড়ের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হবে। মুহূর্তটি শুধু স্কোরবোর্ডে নয়, অনুরাগীদের স্মৃতিতেও গেঁথে থাকবে।
বোলারদের ব্যাটিং দেখলে মনে হয়, ক্রিকেটে কিছুই impossible অসম্ভব নয়!
৯ আর ১০ নম্বরে শতরান? এটা তো আগে কখনও শোনা যায়নি। সত্যিই rare বিরল ঘটনা।
ব্যাটিং ক্রম বদলাতে হবে নাকি? যদি বোলাররাই এত ভালো ব্যাট করে, তাহলে পজিশন আবার কেন?
এই ধরনের লড়াইয়ের মাধ্যমেই আসল চেতনা ফুটে ওঠে খেলার।
১৭৩ রানের জুটি নবম উইকেটে? এটা তো স্বপ্নের চেয়েও বেশি অবাস্তব!
কার্সনের ১৪টা চার আর রবিনসনের ছক্কা—একসাথে দেখলে চোখে জল আসে। আসল বোলারদের জয়গান।
এই ম্যাচের মতো মুহূর্তগুলোই দর্শকদের মন জিতে নেয়। excitement উত্তেজনা ছিল চরমে।
দল যখন পড়েছে, ঠিক তখনই উঠে দাঁড়ানো—এটাই তো আসল খেলোয়াড়ের লক্ষণ।