৫ ইনিংসে মাত্র ৭৯ রান, ১৩ কোটির রিঙ্কুর এ কী দশা! জায়গা ছিনিয়ে নিতে তৈরি তরুণ ব্যাটার
৫ ইনিংসে মাত্র ৭৯ রান, ১৩ কোটির রিঙ্কুর এ কী দশা! জায়গা ছিনিয়ে নিতে তৈরি তরুণ ব্যাটার।
টি-২০ বিশ্বকাপের ময়দান থেকে যে রিঙ্কু সিং নায়কের মুখোশ নিয়ে ফিরেছিলেন, আইপিএল ২০২৬-এ সেই মুখোশ খসে পড়েছে। কেকেআর তাঁকে রিটেন সিদ্ধান্তটি এখন ঘিরে রয়েছে প্রশ্ন। গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে শেষ ওভারে ৫ বলে ৫ ছক্কা মেরে ম্যাচ উল্টে দেওয়া হিরোর জায়গায় এখন দল খুঁজছে স্থিতিশীলতা। কিন্তু রিঙ্কুর ব্যাট থেকে সেই momentum উধাও।
মুম্বই, হায়দারাবাদ, লখনউ, চেন্নাই, গুজরাত—কোথাও ছন্দ ফিরল না। ৩৩, ৩৫, ৪, ৬, ১—এই স্কোরকার্ড দেখে ভক্তদের disappointment লুকোনো যায় না। একজন ১৩ কোটি টাকার খেলোয়াড় থেকে এমন performance দল আশা করেনি। তাঁর ব্যর্থতার প্রভাব পড়ছে পুরো ব্যাটিং লাইন-আপের উপর। সহঅধিনায়কের ভূমিকায় থাকা একজন খেলোয়াড়ের উপর pressure স্বাভাবিক, কিন্তু সেটা কি ব্যাটের ভার হয়ে দাঁড়িয়েছে?
আর এই শূন্যতা ভরাটের জন্য দলের পাশেই তৈরি রয়েছে আনক্যাপড তরুণ ব্যাটার সার্থক রঞ্জন। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক, অনুশীলনে চোখ কাড়া ব্যাটিং। তাঁর মতো তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য সুযোগের window খুলতে শুরু করেছে। কেকেআরের ম্যানেজমেন্টের কাছে সময় এখন কঠিন choice : ভবিষ্যতের দিকে তাকানো নাকি ভুতোর স্মৃতির উপর আস্থা রাখা?
১৩ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে ভবিষ্যতের জন্য, কিন্তু বর্তমান তো খেলতেই হবে। current form বর্তমান ফর্ম দেখে ভয় কাজ করছে।
একটা ম্যাচের হিরোকে তো পুরো টুর্নামেন্টের ভার দেওয়া যায় না। hype হাইপ বেশি হয়ে গেছে, এখন চাপ সামলানো কঠিন।
সার্থক রঞ্জন যদি বসে, তাহলে কি রিঙ্কু ফিরবেন না? তাঁর জায়গা হারানোর risk ঝুঁকি তো আছেই।
কেউ কি লক্ষ করেছে, শেষ ৩ ম্যাচে পিচগুলো স্পিন-ফ্রেন্ডলি ছিল? রিঙ্কুর বিরুদ্ধে সেটাও একটা factor উপাদান হতে পারে।
দলের লাইন-আপে রিঙ্কুর পজিশন নিয়ে প্রশ্ন। মিডিল অর্ডারে তাঁকে নামানো হচ্ছে, কিন্তু সেখানে তিনি আগে থেকে আরামদায়ক নন। সিদ্ধান্তটা বদলানো দরকার।
টাকা দিয়ে কেনা যায় না trust আস্থা। তাঁর পারফরম্যান্স দেখে মনে হচ্ছে, দলের আস্থা কমছে দিন দিন।