১১৪ বছর প্রথমবার এমন খারাপ দুঃসময়ে চেলসি
১১৪ বছর প্রথমবার এমন দুঃখজনক অবস্থার মুখোমুখি হয়েছে চেলসি। এনসো মারেসকারের পর লিয়াম রোসেনিওর দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমে সবকিছুই ভালো ছিল। the start ছিল আশাব্যঞ্জক—চার ম্যাচ জিতেছিল টিম। কিন্তু হঠাৎ করেই সব উল্টে গেল। এখন টিমের সামনে শুধু হার, আর হার।
প্রিমিয়ার লিগে চেলসি এখন পাঁচ ম্যাচ ধরে হেরে যাচ্ছে। আর এই পাঁচ ম্যাচে একটি গোলও করতে পারেনি তারা। এমন ঘটনা ঘটেছিল শেষবার ১৯১২ সালে। অর্থাৎ, গত একশো বছরেও চেলসি এমন খারাপ form দেখায়নি। এখন তাদের ম্যাচগুলো দেখলে মনে হয়, গোল করার কৌশলটাই ভুলে গেছে খেলোয়াড়রা।
বাস্তবতা আরও কঠিন। সর্বশেষ নয় ম্যাচে মাত্র একটি জয় পেয়েছে চেলসি। এই সময়ে শুধু টটেনহামই তাদের চেয়ে কম points পেয়েছে। ব্রাইটনের বিপক্ষে ৩-০ গোলে হারার পর চেলসি ৩৪ ম্যাচে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে। আর ব্রাইটন ছয় নম্বরে, ৫০ পয়েন্ট নিয়ে।
চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার জন্য কমপক্ষে পাঁচ নম্বরের মধ্যে থাকা জরুরি। কিন্তু লিভারপুল ইতিমধ্যে ৫৫ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে, আর একটি ম্যাচ কম খেলেছে। কাগজে কলমে সম্ভাবনা থাকলেও, reality হলো, চেলসির চ্যাম্পিয়নস লিগ খেলা প্রায় অসম্ভব।
দলের এই হ্রাসমান momentum নিয়ে ফ্যানরা উদ্বিগ্ন। কোচের কৌশল, খেলোয়াড়দের মানসিকতা, আর ম্যাচ পরিচালনার সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এখন প্রশ্ন হলো, এই দুঃসময় কবে শেষ হবে? না কি মৌসুম শেষ পর্যন্ত এমনই থাকবে?
গোল করতে না পারা মানে আক্রমণে no threat কোনো হুমকি নেই। এতে প্রতিপক্ষ আরও আক্রমণাত্মক হয়।
শুরুটা ভালো হওয়ার পর এমন পতন? এটা শুধু খেলোয়াড় নয়, কোচের strategy কৌশলের ব্যর্থতা।
১৯১২-এর পর এই প্রথম? মানে এটা ঐতিহাসিক level স্তরে খারাপ। বিশ্বাস করা কঠিন।
আগের ফর্ম ভুলে যাও। এখন প্রতিটা ম্যাচই ফাইনাল। প্রতিটা result ফলাফল চ্যাম্পিয়নস লিগের জন্য জীবন-মৃত্যু।
ব্রাইটন এখন উপরে? কতটা বিড়ম্বনা। আগে চেলসির জন্য তারা ছিল নিচের দল।
পয়েন্টের পার্থক্য শুধু সংখ্যা নয়, এটা confidence আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখায়।
কোচ পরিবর্তন করলেও ফল না আসলে, তখন কি system সিস্টেমটাই বদলানো দরকার?
মৌসুম শেষে এই হারের streak ধারা কি কোচের চাকরি নেবে? সেটাই দেখার।