মহাকাশে ভারতের নতুন 'দৃষ্টি': হাইব্রিড প্রযুক্তি নিয়ে সফল উৎক্ষেপণ
মহাকাশ জয় করা এখন শুধু সরকারি সংস্থার কাজ নয়। বেঙ্গালুরুর স্টার্টআপ গ্যালাক্সি আই-এর উপগ্রহ 'দৃষ্টি' মহাকাশে পাড়ি দেওয়ার মাধ্যমে দেখিয়ে দিয়েছে, ভারতের বেসরকারি খাতও এখন technology নিজেদের দাগ গাড়ছে। ক্যালিফোর্নিয়া থেকে স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটে চেপে ভারতীয় সময় রবিবার দুপুর ১২টা ২৯ মিনিটে এই mission অত্যন্ত সফলভাবে শুরু হয়। এটি শুধু একটি উৎক্ষেপণ নয়, এটি ভারতের বাণিজ্যিক মহাকাশ গবেষণার এক নতুন chapter ।
weight ১৯০ কেজি, এবং দেশের বেসরকারি উদ্যোগে তৈরি এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ভূ-পর্যবেক্ষণ platform । এই সাফল্য শুধু প্রযুক্তিগত বিজয় নয়, এটি বেসরকারি স্টার্টআপগুলির জন্য প্রেরণার উৎস। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভবিষ্যতের আরও জটিল project এবং মহাকাশ গবেষণার পথ প্রশস্ত করবে। একটি ছোট সংস্থা এমন বড় সাফল্য পাওয়া ভারতের উদ্ভাবনী ক্ষমতার প্রতিফলন।
এই উপগ্রহের হৃদয়ে রয়েছে এক বিশ্ব-প্রথম হাইব্রিড প্রযুক্তি: 'অপ্টোএসএআর'। এখানে একইসাথে যুক্ত রয়েছে ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল সেন্সর এবং সিন্থেটিক অ্যাপারচার রেডার (এসএআর)। এর মানে, সূর্যের আলোয় উজ্জ্বল ছবি পাওয়া যাবে, আবার মেঘে ঢাকা আকাশ বা রাতের অন্ধকারেও তথ্য সংগ্রহ হবে। এই capability আগের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠবে।
গ্যালাক্সি আই-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও সুয়াশ সিংহ বলেন, 'দৃষ্টি' মানে শুধু দেখা নয়, অন্তর্দৃষ্টি। এই combination কৃষি, disaster ব্যবস্থাপনা, সমুদ্র নজরদারি এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে। প্রযুক্তি আর দৃষ্টিভঙ্গি—দুটোই এখানে একসাথে কাজ করছে। এটি শুধু ভারতের জন্য নয়, বিশ্ব মহাকাশ sector এক উল্লেখযোগ্য অবদান।
এই ধরনের উদ্যোগ ভারতের প্রযুক্তিগত growth বৃদ্ধি দেখায়।
আশা করি ভবিষ্যতে আরও বেশি বেসরকারি সংস্থা এই ক্ষেত্রে এগিয়ে আসবে।
হাইব্রিড প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা খুব উদ্ভাবনী।
মেঘে ঢাকা আকাশেও ছবি নেওয়া যাবে? সেটা কীভাবে সম্ভব প্রযুক্তিগতভাবে?
স্পেসএক্সের উৎক্ষেপণ তো চমৎকার, কিন্তু কবে ভারতই এমন উপগ্রহ নিজে মহাকাশে পাঠাবে?
১৯০ কেজি ওজনে এত কিছু সম্ভব? এটা সত্যিই impressive ভাবনার বিষয়।
প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এটি কতটা কার্যকর হবে, সে বিষয়ে আরও তথ্য জানা দরকার।
বাণিজ্যিক মহাকাশ অনুসন্ধান এখন সত্যি সত্যি একটি সম্ভাবনা।