ডায়াবেটিস নিয়ে ইটিভি ভারতের জাতীয় সচেতনতা অভিযান
ভারত আজ এমন এক যুগে পৌঁছেছে যখন public health নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বর্তমানে দেশের ১০ কোটির বেশি মানুষ diabetes নিয়ে জীবন কাটাচ্ছেন, অনেকেই অজান্তেই এই রোগের প্রাথমিক symptoms উপেক্ষা করছেন। এই প্রেক্ষাপটে দেশের অগ্রণী সংবাদমাধ্যম ইটিভি ভারত ঘোষণা করেছে 'ডায়াবেটিস-মুক্ত ভারত' লক্ষ্যে এক national awareness অভিযান। চার সপ্তাহব্যাপী এই অভিযানে ঘরে ঘরে পৌঁছানোর পাশাপাশি ধারণা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মতো বিষয়গুলো তুলে ধরবে।
ডায়াবেটিস শুধু শহরেই নয়, গ্রাম, পাহাড়, এমনকি পাহাড়ি অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে। বেঙ্গালুরুর আইটি পেশাদার হোক বা ওড়িশার এক কৃষক, কেউই এই disease হাত থেকে অব্যাহতি পাচ্ছেন না। চিকিৎসকদের মতে, ফাস্ট ফুড, উচ্চ চাপের কর্পোরেট জীবন, অপুষ্টি, বংশগতি এমনকি mental stress – এসবই ডায়াবেটিসের পথ প্রশস্ত করছে। মহারাষ্ট্র থেকে হিমাচল পর্যন্ত, খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের পরিবর্তন এই রোগের প্রকোপ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
এই অভিযানে কেবল চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতামতই নয়, বাস্তব জীবনের গল্পও তুলে আনা হবে। ডাঃ ভি মোহন ও ডাঃ অনুপ মিশ্রের মতো বিশিষ্ট ডায়াবেটোলজিস্টরা research থেকে বংশগতি পর্যন্ত নানা দিক নিয়ে আলোচনা করবেন। ডাঃ সঞ্জয় রেড্ডি ও ডাঃ রাকেশ কালাপালা দীর্ঘমেয়াদি জটিলতা এবং মেটাবলিক স্বাস্থ্যের সংযোগ নিয়ে বিশ্লেষণ করবেন। এমনকি ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির মতো complications নিয়েও তথ্য দেবেন চোখের বিশেষজ্ঞ ডাঃ চৈত্রা জয়দেব।
অভিযানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে প্রিডায়াবেটিসের দিকে – যেখানে লক্ষণ না থাকলেও রক্তে শর্করার মাত্রা উচ্চ থাকে। এটি এমন পর্যায় যখন হস্তক্ষেপ সবচেয়ে effective হয়। সাংস্কৃতিক খাদ্যাভ্যাস, যেমন পঞ্জাবের মাখন বা উত্তর প্রদেশের মিষ্টি, ডায়াবেটিসের সঙ্গে যুক্ত হলেও পরিবর্তন ঘটছে জীবনযাপন পদ্ধতি। বাজরা, গুড়মার থেকে শুরু করে ‘ডায়াবেটিস রুটি’ – সমাধানের সন্ধানে চলছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা।
শিশু ও কিশোরদের মধ্যে ডায়াবেটিসের বৃদ্ধি উদ্বেগের কারণ। গবেষকরা পরীক্ষা করছেন পিতামাতার অভ্যাসের এপিজেনেটিক প্রভাব। কিছু বিজ্ঞানী নতুন চিকিৎসা খুঁজতে ব্যবহার করছেন কম্পিউটেশনাল ড্রাগ ডিসকভারি। এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো awareness এবং সময়মতো হস্তক্ষেপ। ইটিভি ভারতের এই উদ্যোগ শুধু তথ্য ছড়ানোর বাইরে একটি movement গড়ে তুলতে পারে।
আমার বাবা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এখনো পর্যন্ত মনে করতাম ওজনই মূল কারণ। এখন বুঝলাম মানসিক চাপও একটা বড় ভূমিকা রাখে।
পঞ্জাবি বাড়িতে মাখন ছাড়া খাবার ভাবা যায় না। কিন্তু এটা সত্য যে আমাদের খাদ্যাভ্যাসে lifestyle জীবনযাপন বদলে দিচ্ছে।
শুনলাম বাজরা খেলে HbA1c কমে। এটা ছোট পরিবর্তন হলেও effective কার্যকর হতে পারে। চেষ্টা করব।
‘ডায়াবেটিস মুক্ত ভারত’ শোনাচ্ছে ভালো, কিন্তু সরকারি স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ না দিলে এটা ঘোষণাতই থেকে যাবে।
আমি চেহানত কম, তবু ডায়াবেটিস ধরা পড়েছে। এটা বড় অবহেলা ছিল আমার। disease রোগ সবসময় বাইরে থেকে দেখা যায় না।
গুড়মার খাওয়া ছিল বাচ্চাদের স্বাভাবিক অভ্যাস। এখন বুঝছি কেন তারা natural remedy প্রাকৃতিক চিকিৎসা হিসেবে এটা ব্যবহার করে।
ডায়াবেটিস নিয়ে আমাদের মধ্যে অনেক ভুল ধারণা আছে। awareness সচেতনতা না বাড়ালে বদলাবে কীভাবে?
শিশুদের মধ্যে ডায়াবেটিস বাড়ছে দেখে ভয় পাই। আমার ছোট ভাইয়ে প্রতিদিন ফাস্ট ফুড খায়। simple change সহজ পরিবর্তন করা দরকার।