চিংড়ি-কাঁকড়া খেলেই কি দৃষ্টি চলে যাবে? শ্রিম্প ভাইরাসের হুমকি নিয়ে সতর্ক বিশ্ব
বাঙালির খাবার টেবিলে চিংড়ি-কাঁকড়ার জায়গা অনন্য। কিন্তু এই সি-ফুডগুলি এখন risk বাড়াচ্ছে। চিনে ছড়িয়ে পড়া এক নতুন ভাইরাস, যাকে নাম দেওয়া হয়েছে 'শ্রিম্প ভাইরাস', মানুষের দৃষ্টিশক্তিকে threat দিচ্ছে। জার্নাল নেচার মাইক্রোবায়োলজিতে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ভাইরাস সামুদ্রিক প্রাণী থেকে মানুষে ছড়াচ্ছে, এবং আক্রান্তদের চোখে প্রদাহ ও pressure ক্রমাগত বাড়ছে।
এই ভাইরাসের কারণে হওয়া রোগটির নাম দেওয়া হয়েছে 'পারসিসট্যান্ট অকিউলার হাইপারটেনশন ভাইরাল অ্যানটেরিয়র আনভেইটিস' (POH-VAU)। গবেষকরা লক্ষ্য করেছেন, প্রথমে এটিকে হার্পিস বা শিঙ্গলসের মতো infection মনে হলেও মাইক্রোস্কোপে ভাইরাসের চরিত্র দেখা গেছে কোভার্ট মর্টালিটি নোডাভাইরাসের (CMNV) মতো। এটি মূলত চিংড়ি ও কাঁকড়ার মতো জলজ প্রাণীতে থাকে, কিন্তু এখন মানুষের চোখে প্রবেশ করছে।
আক্রান্তদের চোখ লাল হয়ে যাচ্ছে, জল পড়ছে, এবং দৃষ্টি ধীরে ধীরে blur হচ্ছে। চোখের ভেতরে pressure এতটাই বাড়ছে যে চোখের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সময়মতো চিকিৎসা না হলে দৃষ্টিশক্তি চিরতরে চলে যেতে পারে — এমনকি stroke -এর মতো ঘটনাও ঘটতে পারে।
গবেষকদের মতে, সমুদ্রের মাছ বা চিংড়ি ভালো করে পরিষ্কার না করলে বা পর্যাপ্ত heat ছাড়া রান্না না করলে ভাইরাস মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। কাঁচা বা আধকাঁচা চিংড়ি-কাঁকড়া খেলে infection ছড়ানোর সম্ভাবনা অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞরা জনসাধারণকে সতর্ক করেছেন: সমুদ্রজাত খাবার অবশ্যই ভালো করে ধুয়ে উচ্চ তাপে সেদ্ধ করে খাওয়া উচিত।
এখনও পর্যন্ত চিনে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি, কিন্তু এশিয়ার অন্যান্য দেশ এবং আমেরিকাতেও হানা দিয়েছে। স্বাস্থ্য সংস্থাগুলি পরিস্থিতি মনিটর করছে। এমন সময়, প্রত্যেকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে prevention । সাবধানতা অবলম্বন না করলে আমাদের প্রিয় খাবারই পাল্টে যেতে পারে threat ।
আমার স্বামী প্রতিদিন ঝোল কাঁকড়া খায়। এখন ভয় লাগছে। কতটা heat তাপ দিলে ভাইরাস মরবে?
সব সি-ফুড নয়, কাঁচা বা কম সেদ্ধ খাবারই risk ঝুঁকি বাড়ায়। ভালো করে রান্না করুন।
এত খবর এলো কখন? আমরা তো বছরের পর বছর চিংড়ি খেয়ে আসছি। এখন হঠাৎ infection সংক্রমণ কীভাবে?
চিন আবার শুরু করেছে। কোভিডের পর এবার virus ভাইরাস আবার চিংড়ি দিয়ে? কী রকম pressure চাপ তৈরি হচ্ছে!
দৃষ্টি চলে গেলে তো কোনো treatment চিকিৎসা নেই। আমরা কী করব? এই খবরটা কি নিশ্চিত?
বৈজ্ঞানিক রিপোর্ট বলছে, ভাইরাসটা চিংড়িতে থাকে। কিন্তু আমাদের দেশে কি সেই ধরনের পরীক্ষা হচ্ছে? public trust জনআস্থা কমছে ক্রমাগত।