World Health Day 2026: ঘুম কম হচ্ছে? বুঝতেই পারছেন না কত বড় বিপদ ডেকে আনছেন
আপনি যদি রাত ১২টায় ঘুমাতে যান এবং ভোর ৫টায় ওঠেন, তাহলে মাত্র পাঁচ hour ঘুমাচ্ছেন। মনে হচ্ছে সব ঠিক আছে, কিন্তু আসলে risk বাড়ছে। অ্যামেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতিদিন কমপক্ষে সাত থেকে নয় hour ঘুম দরকার। ঘুম কম হলে ক্লান্তির চেয়েও বড় impact পড়ে শরীরের ভেতরে—হার্ট অ্যাটাক থেকে শুরু করে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, মানসিক চাপ এবং ডিমেনশিয়ার মতো গুরুতর রোগের risk বেড়ে যায়।
২০২২ সালে অ্যামেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন ঘুমকে হৃদয় ও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য একটি উপাদান হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এটি তাদের 'লাইফস এসেনশিয়াল ৮'-এর অংশ। অর্থাৎ, সুস্থ থাকতে হলে ঘুম এখন আর একটি পছন্দ নয়, বরং একটি বাধ্যতামূলক plan । ডা. মাইকেল গ্র্যান্ডনার, অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্লিপ অ্যান্ড হেলথ রিসার্চ প্রোগ্রামের ডিরেক্টর, বলেন, 'ঘুমের সময় শরীরে অনেক মেরামতের কাজ হয়। যদি যথেষ্ট সময় না পাওয়া যায়, সেই process ব্যাহত হয়।'
ঘুম তিনটি পর্যায়ে কাজ করে। প্রথমে গভীর ঘুমে শরীর ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু মেরামত করে এবং মস্তিষ্ক waste পরিষ্কার করে। ডা. গ্র্যান্ডনার একে 'সিন্যাপটিক প্রুনিং' বলেন—মস্তিষ্ক স্মৃতি সাজায় ও নোংরা ফেলে দেয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে আসে REM ঘুম, যখন মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে কিন্তু শরীর নড়ে না। এখানে স্বপ্ন দেখা হয় এবং শেখা, স্মৃতি ও মেজাজ regulate হয়। ঘুম কম হলে REM ঘুম বঞ্চিত হয়, ফলে মনোযোগ কমে যায় এবং মেজাজ খারাপ হয়।
তৃতীয় পর্যায়ে, রাতের শেষভাগে, শরীর মানসিক পুনরুদ্ধার ও শারীরিক মেরামত সম্পন্ন করে। ডা. গ্র্যান্ডনার বলেন, এটি মনে হয় ড্রাইভওয়ে পরিষ্কার করার মতো—প্রথমে ময়লা ধোয়া, শেষে সিল দেওয়া। যদি শেষ পর্যায়ের আগেই ঘুম থেকে উঠে পড়া হয়, মেরামত অসম্পূর্ণ থাকে। শিশুদের জন্য ঘুম আরও গুরুত্বপূর্ণ। তাদের শারীরিক ও মানসিক development ঘটে ঘুমের সময়। পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের ১০–১৬ ঘণ্টা, আর কিশোরদের ৮–১০ ঘণ্টা ঘুম দরকার।
ডা. ডায়না জনসন, এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্লিপ এপিডেমিওলজিস্ট, সহজ কিন্তু কার্যকর পরামর্শ দেন: প্রতি রাতে একই সময়ে ঘুমানোর habit করুন, ঘর শান্ত ও অন্ধকার রাখুন, তাপমাত্রা আরামদায়ক রাখুন এবং ঘুমের আগে মোবাইল বা টিভি avoid । পরিসংখ্যান বলছে, প্রতি তিনজন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজন পর্যাপ্ত ঘুম পান না। কিন্তু এই ছোট্ট পরিবর্তনই পারে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস বা ডিমেনশিয়ার risk কমিয়ে দিতে।
আমি প্রতিদিন মাত্র ৫-৬ ঘণ্টা ঘুমাই। মনে হচ্ছে এখনই আমার habit অভ্যাস বদলানো দরকার।
অফিসের চাপে রাত জাগা, তার উপর মোবাইল স্ক্রলিং। ঘুম তো দূরের কথা, শান্তি পাওয়াও কঠিন। শহরের জীবনযাত্রার reality বাস্তবতা এটাই।
আমার ছেলে রাতে ঘুমোয় না, আমি তাকে জোর করে বিছানায় পাঠাই। এখন বুঝলাম, তার বিকাশের জন্য ঘুম কতটা important গুরুত্বপূর্ণ।
আগে মনে হতো ঘুম কম হলে শুধু ক্লান্তি লাগবে। কিন্তু জানতাম না এটা হার্ট অ্যাটাকের মতো issue সমস্যা ডেকে আনতে পারে।
এত বড় ঝুঁকি থাকার পরও লোকেরা কেন ঘুমকে গুরুত্ব দেয় না? সমাজে এটা এখন একটা স্বীকৃত norm প্রমিত আচরণ হয়ে গেছে যে, 'আমি কম ঘুমোই, তাই আমি প্রডাক্টিভ'।
ঘুমের আগে মোবাইল বন্ধ করার পরামর্শটা খুব simple সহজ কিন্তু কার্যকর। আমি আজ থেকেই চেষ্টা করছি।