প্রথম আলো বৈশাখী উৎসবে ঢাকার মুড়িয়ে গেল রঙে

পয়লা বৈশাখের প্রথম morning থেকেই ঢাকার ইউনাইটেড সিটিতে কলকাহলে ভরপুর। শেফস টেবিল কোর্টসাইডে চলছে প্রথম আলো বৈশাখী উৎসব। এটি কেবল একটি অনুষ্ঠান নয়, একটি tradition -এর পুনর্জন্ম, যেখানে ছোট-বড় সবাই মিলে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ করছে। দিনটি শুরু হয়েছে জাতীয় সংগীত আর বৈশাখের আবহে।

উৎসব প্রাঙ্গণে শিশুরা drawing রঙিন আলপনা, অন্যদিকে চলছে হাতের লেখা ও চিত্রাঙ্কনের competition । এক শিশু মাটিতে রঙের স্পর্শে লিখেছে ‘শুভ নববর্ষ’—এই ছোট্ট মুহূর্তটিতে লুকিয়ে আছে সংস্কৃতির অবিনাশী আত্মা। আর গালে আলপনা আঁকা হচ্ছে কয়েকজনের, যা একটি festival -এর মুখে ফুটে ওঠা আনন্দের নিখুঁত ছবি।

খেলাধুলার অংশ হিসেবে চলছে বিস্কুট দৌড়, যেখানে শিশুরা মুখে বিস্কুট নিয়ে দৌড়াচ্ছে—একপাশে উঠছে হাসি, অন্যপাশে excitement । নাগরদোলা ও টেপাপুতুল সাজানো হয়েছে বিশেষ করে ছোটদের জন্য। এসব ছোটখাটো event শুধু মজার নয়, এগুলো culture বয়ে আনে।

সংগীতশিল্পী পুলক অধিকারী বাজিয়েছেন বৈশাখের আমেজ ফুটিয়ে তোলা গান, আর জাদুবিদ রাজীব বসাক দর্শকদের মুগ্ধ করছেন তাঁর জাদুর performance দিয়ে। প্রতিটি মুহূর্ত এখানে ধরা পড়ছে ক্যামেরায়—ছবিগুলো তুলেছেন খালেদ সরকার ও তানভীর আহাম্মেদ। এই gathering শুধু উৎসব নয়, একটি জাতিকে একসূত্রে বাঁধার চেষ্টা।

প্রতিক্রিয়া 6

  • রাইসা

    বাচ্চাদের আঁকা আলপনা দেখে খুব happy লাগছে। এমন আয়োজন বছরের পর বছর ধরে চাই।

  • অর্ণব

    এই ধরনের event আসলে শুধু ছুটির দিন না, সংস্কৃতির সন্ধান দেয়।

  • তথা

    গালে আলপনা আঁকা হচ্ছে—এটা আমার favorite অংশ। ছোটবেলার স্মৃতি ফিরে এল।

  • সৌমিক

    বিস্কুট দৌড়ের মতো খেলা fun , কিন্তু এগুলো কি সত্যিই সবার জন্য উপলব্ধ ছিল?

  • নাদিয়া

    পুলক অধিকারী গাইলে বৈশাখ আরও vibrant লাগে। ভাবছি আগামী বছর কে গাইবেন।

  • জাহিদ

    টেপাপুতুল আর নাগরদোলা দেখে মনে হচ্ছে, আমরা আমাদের heritage হারাইনি সম্পূর্ণ।

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]