আশা ভোঁসলের প্রয়াণে বাতিল বলিউড-টলিউডের একাধিক কর্মসূচী
৯২ বছর বয়সে সকলকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন সুরের সম্রাজ্ঞী আশা ভোঁসলে। তাঁর মৃত্যুতে impact পড়েছে শুধু সঙ্গীত জগতেই নয়, গোটা বিনোদন দুনিয়ায়। মায়ানগরী এখন silent , যেখানে কখনও তাঁর কিন্নর কণ্ঠের তালে নাচত পুরো ভারত।
আশার প্রয়াণে স্তব্ধ মায়ানগরী। বরুণ ধাওয়ানের নতুন ছবি 'হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়'-এর ফার্স্টলুক প্রকাশ decision নেওয়া হয়েছিল সোমবার, কিন্তু তা বাতিল করা হয়েছে respect জানাতে। করণ জোহরও নিরব থেকেছেন, না মুক্তি দিয়েছেন নতুন গান। এমনকি টলিউডে, শিবপ্রসাদ-নন্দিতার ছবি 'ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড'-এর টিজার স্ক্রিনিংও cancelled হয়েছে।
একটা যুগ শেষ হলো। আশার কণ্ঠ ছিল সাফল্যের আরেক নাম। তাঁর গান—'রাত বাকি, বাত বাকি', 'চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে জিস দিল কো', 'ইয়ে মেরা দিল প্যার কা দিওয়ানা'—সময়ের pressure পেরিয়ে আজও বাজে। ১৯৭১-এর 'ক্যারাভ্যান'-এর 'পিয়া তু আব তো আ যা'-এর মতো গান ছিল সব record ভাঙার।
তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে শিল্পী থেকে দর্শক সবার মনে। একজন শিল্পী হিসেবে তিনি কেবল গান গাইতেন না, তিনি shaped প্রজন্মের সঙ্গীত-আবেগ। তাঁর কণ্ঠ ছিল না শুধু বলিউডের, ছিল ভারতীয় সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। এখন সেই সুর চিরতরে silent ।
বরুণ ধাওয়ানের সিনেমার প্রচার বাতিল হওয়া ঠিকই হয়েছে। এমন moment মুহূর্তে আনন্দ দেখানো ঠিক হত না।
আশা ভোঁসলের কণ্ঠ ছিল যুগের legacy উত্তরাধিকার। কে আর এমন গান গাইবে আজকে?
একজন লিজেন্ড চলে গেলেন। কিন্তু তাঁর গান কখনও fade ম্লান হবে না।
আমার মা প্রতিদিন তাঁর গান শোনে। এখন কাঁদছে। আমি বুঝতে পারছি না কী say বলব।
বাতিল হওয়া কর্মসূচীগুলো দেখিয়ে দিচ্ছে কতটা value মূল্য তাঁর ছিল।
আশার গানে বাড়ির প্রতিটি উৎসব শুরু হত। এখন সেই সুর শুধু স্মৃতিতেই remain থাকবে।