চট্টগ্রামে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, প্রতিবাদে রাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
চট্টগ্রাম সিটি কলেজে একটি দেয়াল লেখা ঘিরে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে the protest দেখা দেয়। মঙ্গলবার রাতে রাবির ছাত্রদল একটি মিছিল সাজায়, যেখানে শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার demand উঠে আসে। ঘটনাটি ক্যাম্পাসে আবারও রাজনৈতিক tension ছড়িয়ে দেয়, যা শুধু দুই সংগঠনের মুখোমুখি নয়, বরং অতীতের রাজনৈতিক conflict এবং গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিকে জাগিয়ে তোলে।
রাবি শাখার ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, শিবির ইসলামের নামে deception এবং গুপ্ত রাজনীতি করছে। তাদের অভিযোগ, চট্টগ্রামে ছাত্রদলের নেতাদের ওপর attack করা হয়েছে, যা ন্যাক্কারজনক। তিনি warning করে বলেন, যদি রাজনীতি সুষ্ঠুভাবে না করা হয়, তাহলে ছাত্রদল তাদের আবার secret রাজনীতিতে ফিরিয়ে দেবে—যেমন ১৭ বছর ধরে ছিল।
বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেয়: 'শিবির রাজাকার, এ মুহূর্তে বাংলা ছাড়', 'আস্তানা ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও', এবং 'গুপ্ত দলের রাজনীতি এ ক্যাম্পাসে হবে না'। এসব স্লোগানে রয়েছে public anger এবং রাজনৈতিক আবেগের তীব্রতা। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন শাখার সাধারণ সম্পাদক সরদার জহুর, সিনিয়র সহসভাপতি সাকিলুর রহমান সাকিল সহ শতাধিক নেতা-কর্মী।
এর আগে, কলেজ ভবনের দেয়ালে লেখা একটি গ্রাফিতি নিয়ে দুই সংগঠনের মধ্যে বারবার clash হয়। এটি ক্যাম্পাসে মুখরোচক political expression এবং নিয়ন্ত্রণের লড়াইয়ের প্রতীক হয়ে উঠেছে। এমন ঘটনাগুলো ক্যাম্পাসের safety এবং শান্তিপূর্ণ শিক্ষা পরিবেশের ওপর সরাসরি impact ফেলে।
ছাত্রদলের বক্তব্যে স্পষ্ট হুমকি রয়েছে: যদি বাংলাদেশপন্থি কাউকে আক্রমণ করা হয়, শিবিরের ‘বিষদাঁত’ ভেঙে পাকিস্তানে পাঠানো হবে। এই ভাষা শুধু বিরোধ নয়, এটি national identity এবং রাজনৈতিক বৈধতার লড়াইকে নির্দেশ করে। এই ধরনের ঘটনা ক্যাম্পাসকে আবার রাজনৈতিক battleground হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার ইঙ্গিত দেয়।
ছাত্রশিবির আগেও অনেক স্কুল-কলেজে গুপ্ত কার্যক্রম করেছে, এখন public pressure জনসমর্থন কমেছে বলে প্রতিক্রিয়া বেশি।
গুপ্ত রাজনীতির কথা বলছেন, কিন্তু নিজেদের ক্যাম্পাসে স্লোগান দিয়ে ভাঙচুর করাটা কি democracy গণতন্ত্র?
রাবি যেন আর কোনো clash সংঘর্ষ না দেখে। পড়াশোনার জায়গায় এই রাজনীতির তাণ্ডব ক্ষতি করছে।
‘পাকিস্তানে পাঠানো হবে’—এ ধরনের threat হুমকি কি আদৌ কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের জন্য গ্রহণযোগ্য?
দেয়ালে লেখা নিয়ে এত ঝামেলা? ক্যাম্পাসে অভিব্যক্তির স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলা উচিত।
এই সংঘর্ষ শুধু ছাত্রদল-শিবিরের নয়, এটা বড় রাজনৈতিক tension চাপ এরই ছোট প্রতিফলন।