বিএনপির সঙ্গে আর পথ চলা সম্ভব নয়: ফেসবুকে লিখে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক decision নিয়েছেন: আর বিএনপির সঙ্গে পথ চলা হবে না। শেখ শোভন বৃহস্পতিবার ফেসবুকে একটি পোস্ট করে তার পদত্যাগের ঘোষণা জানান, যেখানে তিনি political pressure এবং আদর্শের বিসদৃশতা তুলে ধরেন। তার ভাষায়, দেশ এখন deep crisis পেরোচ্ছে, আর তার আস্থা ক্রমশ ক্ষয় হচ্ছে।

শোভন বলেন, ৫ আগস্টের পর যে change আসার আশা ছিল, তা হয়নি। বরং সেই আশা পুঁজি করে কেউ কেউ নিজেদের interest চালিয়ে যাচ্ছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। অনেকের ত্যাগ এবং শহীদদের sacrifice এখন ভুলে যাওয়া হয়েছে বলে তার মনে হয়, যা তাকে horror দেখায়।

এই পদত্যাগ শুধু দল ছাড়া নয়, এটি একটি আদর্শের প্রতি আস্থা হারানোর গল্প। শোভনের কথায়, অতীতে তারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন, কিন্তু এখন সেই লড়াইয়ের মূল্য হারিয়ে যাচ্ছে। একটি just state গঠন করা যাচ্ছে না, যা তার জন্য গভীর disappointment

তবুও তিনি স্পষ্ট করেন, রাষ্ট্রের স্বার্থ সবসময় সর্বোচ্চ হওয়া উচিত। ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের বিষয়ে কোনো compromise হওয়া উচিত নয়। এমনকি maximum cost দেওয়ার জন্যও তিনি প্রস্তুত। এই statement কেবল একজন তরুণ নেতার ক্লান্তি নয়, এটি একটি প্রজন্মের জনগণের trust হারানোর প্রতিধ্বনি।

প্রতিক্রিয়া 6

  • নীলাঞ্জন

    আদর্শের চাপে পদত্যাগ? নাকি দলের ভেতরের কোনো internal conflict চাপ তৈরি করেছে?

  • তানজিনা

    এত ত্যাগের পরও যদি justice না মিলে, তবে আবার কতটা ত্যাগ চাওয়া হবে জানি না।

  • রুমি

    ৫ আগস্টের পর প্রত্যাশা ছিল বটে, কিন্তু এখন সেটা কি কেবল একটা political reality হয়ে গেছে?

  • সুমিত

    একজন ছাত্রনেতা পদত্যাগ করলে বড় বড় নেতারা কি কোনো impact পাবেন?

  • অনন্ত

    আস্থা হারানো সহজ, কিন্তু সেটা ফিরে পাওয়ার জন্য কি দল কোনো real plan নিয়েছে?

  • মৌসুমী

    একজনের পদত্যাগ একটা সিগন্যাল। কিন্তু দলের ভেতরের গাঠনিক ব্যর্থতা কি সেটা ঢাকতে পারবে?

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]