বাংলাদেশে হাম ও রুবেলার প্রাদুর্ভাব, মেঘালয়ে সতর্কতা; কতটা বিপজ্জনক?
বাংলাদেশে measles ও রুবেলার ঘাত-প্রতিঘাত তুঙ্গে, আর তার ছায়া এখন মেঘালয়ের সীমান্তে। মার্চ থেকে শুরু হওয়া সংক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন 100-এর বেশি মানুষ। বিশেষ করে পশ্চিম জয়ন্তিয়া হিলসে উদ্বেগ বাড়িয়ে authorities নজরদারি জোরদার করেছে। শুধু তাই নয়, স্থানীয় বাসিন্দাদের জ্বর বা শরীরে rash দেখা দিলে অবিলম্বে খবর দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
১৯ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশে নিশ্চিত হামের ঘটনা ৩,৪৪৩ এবং সন্দেহভাজন আক্রান্ত প্রায় ২৩,৬০০। মৃত্যু হয়েছে ১১৮-এরও বেশি। এই পরিস্থিতিতে মেঘালয়ের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোয় vaccination নিয়ে জোর জোর প্রচেষ্টা চলছে। প্রশাসন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর সঙ্গে যৌথ সভা করে সীমান্ত পেরোনোর ঝুঁকি রোধে পদক্ষেপ নিচ্ছে।
হামের লক্ষণ সংক্রমণের ৭-১৪ দিন পর দেখা দেয়। তীব্র fever , যা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে যেতে পারে, কাশি, নাক দিয়ে জল পড়া এবং conjunctivitis -এর মতো চোখের প্রদাহ এর মধ্যে অন্যতম। দু-তিন দিন পর মুখের ভিতরে সাদা দাগ বা কপলিক স্পট দেখা দেয়। তারপর ৩-৫ দিন পর মাথা থেকে নিচের দিকে rash spreads , যা পুরো শরীর জুড়ে যেতে পারে।
এই রোগ আক্রান্তদের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে—ear infection , ডায়ারিয়া, নিউমোনিয়া, মস্তিষ্কের প্রদাহ বা এমনকি অন্ধত্ব পর্যন্ত। বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলাদের জন্য এটি ভয়ঙ্কর। তবে একটি সাশ্রয়ী ও safe টিকা রয়েছে। MR বা MMR টিকার দুটি ডোজ নেওয়া জরুরি—৯-১২ মাস ও ১৬-২৪ মাস বয়সে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, ২০০০ থেকে ২০২৪ সালে হামে মৃত্যুর হার ৮৮% কমেছে, যার ফলে ৫.৯ কোটি মানুষের প্রাণ বাঁচছে। কিন্তু টিকাকরণের ঘাটতির কারণে আবার বাড়ছে সংক্রমণ। এখনই শিশুদের সময়মতো immunization দেওয়া হচ্ছে কিনা, তা নজর দেওয়ার সময় এসেছে।
আমার ছোট্ট মেয়েটার এখনও প্রথম ডোজ হয়নি। এই খবর পড়ে worried খুব চিন্তিত লাগছে। কালই ক্লিনিকে যাচ্ছি।
সীমান্তের কাছাকাছি থাকি। এতদিন ভেবেছিলাম শুধু বাংলাদেশের সমস্যা। কিন্তু risk ঝুঁকি তো আমাদেরও রয়েছে।
হাম শুধু ফুসকুড়ি নয়, মস্তিষ্কে complications জটিলতা ডেকে আনতে পারে। টিকা না দেওয়াটা ভুল।
প্রতিবেশী দেশে ২৩ হাজার সন্দেহভাজন আক্রান্ত? এটা তো খুব serious গুরুতর পরিস্থিতি।
১১৮ মৃত্যু? এত মানুষ মারা যাচ্ছে একটা preventable প্রতিরোধযোগ্য রোগে? এটা মানুষের উদাসীনতার কথা বলে।
WHO বলছে মৃত্যু ৮৮% কমেছে। মানে টিকা actually works কাজ করে। তবে কেন আবার বাড়ছে সংখ্যা?