বাংলাদেশে হামের সঙ্কট ময়মনসিংহে, হাসপাতালে শিশুদের ভিড়, আশার আলো?
ময়মনসিংহে হামের আক্রমণ এখন আরও ব্যাপক। গত ২৪ ঘণ্টায় the outbreak আরও ৩৩ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে অধিকাংশের বয়স পাঁচ বছরের কম। হাসপাতালের ভিতরে ভিড়ের চিত্র চোখে পড়ার মতো: শিশুরা বিছানায় শুয়ে, মায়েদের চোখে আতঙ্ক। এখন পর্যন্ত মোট ৮৫ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে the hospital ।
স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীরা সতর্ক হয়ে উঠেছেন। হামের ছড়ানো রোধে তিনটি মেডিক্যাল দল গঠন করা হয়েছে। এই দলগুলি কাজ করছে treatment ও পর্যবেক্ষণের উপর ফোকাস করে। তারা নিয়মিত লক্ষণগুলি মূল্যায়ন করছেন এবং প্রতিটি শিশুর অবস্থার উপর নজরদারি করছেন। এখনও পর্যন্ত, কোনো death হয়নি বলে জানা গিয়েছে, যা কিছুটা হলেও স্বস্তির।
অভিভাবকদের একাংশ বলছেন, তাদের এলাকায় টিকাদান কার্যক্রম ছিল অনিয়মিত। কোনও শিশু টিকা না নেওয়ায় the risk বেড়েছে বলে তাদের ধারণা। স্বাস্থ্য আধিকার এ বিষয়ে কোনও স্পষ্ট বিবৃতি দেয়নি, কিন্তু টিকার গুরুত্ব নিয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম এখনও বিশ্বব্যাপী একটি preventable রোগ, কিন্তু টিকার অভাবে তা আবার ছড়িয়ে পড়তে পারে। ময়মনসিংহের পরিস্থিতি আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে যে জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বল দিকগুলিকে উপেক্ষা করা যাবে না। জনস্বাস্থ্য সচেতনতা ও সুষম টিকাদান ছাড়া এ ধরনের সংকট আরও বার বার ঘটবে।
টিকা না নেওয়া মানেই কি এমন বিপদ? আমার খুড়ির ছেলেও টিকা নেয়নি, কিন্তু ভালো আছে। the risk ঝুঁকি আসলে কতটা?
আমি নিজে দুই সন্তান নিয়ে ময়মনসিংহ হাসপাতালে ছিলাম। ভিড়, ঘাম, আর চিকিৎসার চাপ। treatment চিকিৎসা পাওয়া কতটা কঠিন, তা শুধু সেখানে গেলেই বোঝা যায়।
একটা outbreak আক্রমণ হওয়ার পর সবাই ছুটে আসে, আগে কেউ কি ভাবে? টিকার ব্যবস্থা নিয়মিত হলে এত বড় সংকট হত না।
হাম প্রায় মিটিয়ে ফেলা হয়েছিল, কিন্তু public trust জনআস্থা কমায় টিকা বন্ধ হচ্ছে। এটা কোনও সাধারণ বিষয় নয়।
শুনছি কিছু মায়েরা ভাবেন টিকায় সমস্যা হয়। কিন্তু এখন the hospital হাসপাতালে শিশুদের দেখে মন ভেঙে যায়।
কেন ময়মনসিংহেই বা এমন? অন্য জায়গায় কি টিকা নেওয়া হচ্ছে ঠিকমতো? কোনও official আধিকারিক কি জবাব দেবে?
যদি কোনো death মৃত্যু না হয়ে থাকে, তাহলে আশা করা যায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। তবে ভবিষ্যতে আর এমন হওয়া উচিত নয়।