SIR মামলায় সুপ্রিম কোর্ট: 'আবেদন করলেই ভোট পাবেন—প্রশ্নই ওঠে না'
সোমবার সুপ্রিম কোর্টের মধ্যে তৈরি হয়েছিল গভীর আইনি tension । পশ্চিমবঙ্গের ১৬ লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে চলা আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচার এখনও under adjudication । এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতের কাছে আবেদন জানান, আসন্ন ২৩ এপ্রিলের ভোটের আগেই এই মামলাগুলি দ্রুত মীমাংসা করে ভোটদানের opportunity দেওয়া হোক। তাঁর কথায়, "গণতন্ত্রের মুখ তাকিয়ে আছে শীর্ষ আদালতের দিকে।"
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত তাঁর এই আবেদনের জবাবে স্পষ্ট করেন, "আবেদন করলেই ভোট পাবেন—এমন question । তিনি যুক্তি দেন যে, এটি মঞ্জুর করলে বর্তমান ভোটারদের rights নিয়েও প্রশ্ন উঠবে। এর মানে, আদালত বাড়তি pressure তৈরি করতে চায় না ট্রাইব্যুনালের উপর, যা ইতিমধ্যেই বিপুল সংখ্যক মামলা সামলাচ্ছে।
বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী আরও পরিষ্কার করেন যে, কেবলমাত্র ৯ এপ্রিলের আগে বা ঠিক পরে যাঁদের মামলার নিষ্পত্তি হবে, তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় রাখার possibility আছে। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষে আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান বলেন, আপিলকারী ভোটারদের democratic rights রক্ষার জন্য তাঁদের ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া উচিত।
সুপ্রিম কোর্ট এখন উভয় পক্ষের arguments বিবেচনা করছে। কিন্তু এই মামলা শুধু আইনি নয়, রাজনৈতিক ভাবেও অত্যন্ত সংবেদনশীল। রাজ্যে প্রায় ৯১ লক্ষ নাম বাদ যাওয়া নিয়ে ইতিমধ্যেই তীব্র বিতর্ক চলছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এতগুলি মানুষ আদৌ access বুথে? গণতন্ত্রের এই চ্যালেঞ্জ ক্রমশ গভীর হচ্ছে।
আদালতের সিদ্ধান্ত আইনের দিক দিয়ে ঠিক, কিন্তু রাজনীতির দিক থেকে ভীষণ ঝুঁকি। যদি কয়েক লাখ মানুষ ভোট না পায়, public trust জনআস্থা ভাঙবে।
আপিল করলেই ভোট দেবে, এটা হবে কীভাবে? এতে তো entire process সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটাই বিশৃঙ্খল হয়ে যাবে।
আমার পরিবারের তিনজনের নামই বিচারাধীন। এই অনিশ্চয়তা ভীষণ চাপ তৈরি করছে। কবে সব মামলা শেষ হবে কেউ জানে না। আবেগীয় দিকটা কেউ বুঝছে কি?
ট্রাইব্যুনাল যদি সময় মতো কাজ না করে, তার জন্য দায়বদ্ধতা কার?
রাজনৈতিক দলগুলো এখন এই বিষয়টাকে exploit কাজে লাগাবে। আদালত সতর্ক থাকুক।
ভোটারদের নাম বাদ যাওয়া কোনো নতুন বিষয় নয়, কিন্তু এত বড় scale পরিসর আগে কখনও দেখিনি।