ভাঙড়ে ভোটের আগে হামলা, নওশাদ বনাম শওকতের তরজায় রণক্ষেত্র বাসন্তী হাইওয়ে
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্র আবার new tension এর মুখোমুখি। আসন্ন ভোটের আগে আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকীর কনভয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। এই incident নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র political pressure । ভোটের মাত্র কয়েকদিন আগে এমন কাজ কেবল নিরাপত্তার প্রশ্নই তোলে না, জনমানসে fear ছড়িয়ে দেয়।
শনিবার চড়িশ্বর এলাকায় নওশাদের গাড়ির উপর ইট ছোড়া হয়। এর ফলে গাড়ির কাচ shattered হয়ে যায়। আইএসএফ supporters ঘটনার প্রতিবাদে বাসন্তী হাইওয়ে অবরোধ করে। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূল planned করে হামলা চালিয়েছে। নওশাদ বলেন, তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লা হারের fear সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করছেন।
অন্যদিকে, শওকত মোল্লা এই অভিযোগকে false drama বলে উড়িয়ে দেন। তিনি দাবি করেন, যে যুবককে হামলার সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে, সে আসলে নওশাদের নিজের লোক। এটি তৃণমূলের বিরুদ্ধে public trust কমাতে আইএসএফ-এর ষড়যন্ত্র। এমন পাল্টা দাবি আবার নতুন করে উসকে দেয় conflict ।
পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে, কিন্তু এখনও কোনো arrest হয়নি। তল্লাশি চলছে। ভাঙড় এলাকার মানুষ ভোটের আগে এমন violence দেখে উদ্বিগ্ন। তাঁদের মনে হচ্ছে, এখানে কেবল রাজনৈতিক লড়াই নয়, মানুষের নিরাপত্তাও at risk হয়ে উঠেছে।
ভোটের মাঠ আগে থেকেই উত্তপ্ত, আর এই ঘটনা তার উপরে ঘি ঢালার মতো। নওশাদ ও শওকতের মুখোমুখি লড়াইয়ে public decision নেওয়ার পথ আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এখন দেখার, কীভাবে পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশন এই crisis মোকাবিলা করে।
ভোটের আগে এমন হামলা? এটা শুধু রাজনৈতিক risk ঝুঁকি নয়, মানুষের নিরাপত্তার বড় ফাঁক।
আমরা প্রতিনিয়ত ভয়ে বাঁচি। এই violence সহিংসতা কার জন্য? ভোট পেতে মানুষের ভয় দেখানো?
উভয় পক্ষই নিজেদের পক্ষ সমর্থনে কথা বলছে। কিন্তু কোথায় evidence প্রমাণ? তদন্ত হবে কবে?
নওশাদ বলছেন তৃণমূল, তৃণমূল বলছেন আইএসএফ। আসলে কে কাজটা করেছে, তা বুঝতে confusing বিভ্রান্তি লাগছে।
একে অপরকে দোষ দেওয়া বন্ধ করুন। আগে মানুষের safety নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।
এই ধরনের incident ঘটনা দেখে ভোট দিতে ইচ্ছেই কমে যায়। কখন রাজনীতি শান্ত হবে?