মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক: বক্স অফিসে রেকর্ডের ঝড়, কিন্তু কেন সমালোচকদের মন জয় করতে পারছে না?
legend মাইকেল জ্যাকসনের জীবন নিয়ে তৈরি বায়োপিক ‘মাইকেল’ মুক্তি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রেক্ষাগৃহে বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। সমালোচকদের দৃষ্টি এড়িয়ে এই সিনেমা দর্শকদের হৃদয় জয় করেছে এবং মুক্তির প্রথম দিনেই যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৩৯.৫ মিলিয়ন ডলারের revenue করেছে। এই প্রচণ্ড opening শুধু সংগীতভিত্তিক বায়োপিকের ইতিহাসেই নয়, পুরো হলিউডের তালিকাতেই এখন এক অনন্য স্থান করে নিয়েছে। সপ্তাহান্তে মার্কিন মুঠোফোনে সেই total টাকা দাঁড়ায় ৯৫ থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে— যা আগের সব ধারাবাহিকতাকে ছাপিয়ে গেছে।
global বাজারেও এই সিনেমা নাম লেখাচ্ছে রেকর্ডে। ৮০টির বেশি দেশে মুক্তি পেয়ে worldwide প্রথম সপ্তাহেই এটি আয় করেছে ২০০ মিলিয়ন ডলার। মহামারির পর লায়নসগেট প্রযোজনা সংস্থার কোনো সিনেমাই এত বড় opening পায়নি— এটি স্টুডিওর জন্য এক বিশাল relief খবর। পরিচালনা করেছেন director , যিনি আগে ‘দ্য ইকুয়ালাইজার’ নামক অ্যাকশন ছবিতে সাফল্য পেয়েছিলেন। এবার তিনি সঙ্গীত ও আবেগের জগতে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। সিনেমাটির প্রযোজনায় ছিলেন producer , যিনি ‘বোহেমিয়ান র্যাপসোডি’র মতো আরেকটি বায়োপিকে সাফল্যের শিখরে তুলেছিলেন।
মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তারই ভাতিজা actor , যার পারফরম্যান্স দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে praise কুড়িয়েছে। বিশেষ করে তার নাচ, ভঙ্গি এবং কণ্ঠস্বর মাইকেলের সাথে অবিশ্বাস্য resemblance ফেলেছে। কিন্তু সমালোচকদের একাংশ মনে করছেন, সিনেমাটি controversial অধ্যায়গুলো, বিশেষ করে ১৯৯০-এর দশকের অভিযোগগুলো এড়িয়ে গেছে। একটি মামলার কারণে সিনেমার তৃতীয় অংশ পুনরায় শুট করতে হয়েছে, এবং কিছু দৃশ্য বাদ পড়েছে আইনি কারণে।
অনেক দর্শকের মনে হচ্ছে, এটি শুধু একটি সিনেমা নয়, বরং একটি experience — এক ধরনের nostalgic টাইম মেশিন যা মানুষকে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ‘বিলি জিন’ এবং ‘থ্রিলার’-এর সোনালি দিনগুলোতে। গল্পের ফোকাস এখন মাইকেলের পরিবার, বিশেষ করে তার বাবা জো জ্যাকসনের সঙ্গে সম্পর্কের দিকে— যা সিনেমাটিকে emotional করে তুলেছে। সামাজিক মাধ্যমে ট্রেলার এবং গানগুলো কোটি মানুষের কাছে spread পড়েছে, যা দর্শকদের interest আরও বাড়িয়েছে।
‘মাইকেল’ সিনেমাটির মোট বাজেট দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫৫ মিলিয়ন ডলারে— যা বেড়েছে আইনি জটিলতা, গল্প পুনর্গঠন এবং পুনঃশুটিংয়ের কারণে। মাইকেলের বৈশ্বিক popularity , সিনেমার ফ্যান-সার্ভিস ধারা এবং সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচারের মাধ্যমে এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে এখনও একটি শক্তিশালী personality গল্প মানুষকে প্রেক্ষাগৃহে টানতে পারে। এবং যতদিন মাইকেলের গান বাজবে, ততদিন পপের রাজা কখনও মরবেন না।
জাফর জ্যাকসন সত্যিই তার চরিত্রের সাথে resemblance অসাধারণ মিল এনেছেন। দেখে মনে হচ্ছিল আসল মাইকেল মঞ্চে!
সিনেমাটা ২০০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে? এটা তো বিশাল success সাফল্য!
বিতর্কিত বিষয়গুলো এড়ানো হয়েছে বলে সমালোচনা হচ্ছে, কিন্তু দর্শক তো আনন্দ খুঁজছে, বিতর্ক নয়।
একটা টাইম machine মেশিন হলে ভালো হত— ফিরে যেতাম ৮০-এর দশকে!
সামাজিক মাধ্যমে ট্রেলার দেখেই মনে হয়েছিল এটা কিছুটা ভিন্ন হবে। সত্যিই কিন্তু experience অভিজ্ঞতা ছিল।
১৫৫ মিলিয়ন ডলার বাজেট? এত টাকা দিয়ে যদি আরও গভীরে যেত, সিনেমাটা আরও ভারসাম্যপূর্ণ হত।
মাইকেল জ্যাকসনের কণ্ঠ আর নাচ ফিরিয়ে আনা অসম্ভব মনে হলেও, জাফর কাছাকাছি পৌঁছেছেন।
গ্রাহাম কিং আবার প্রমাণ করলেন যে তিনি শিল্পীদের গল্প বলতে জানেন। পরবর্তী বায়োপিক কার?