ইরানের স্পিকার গালিবাফ: কোনো হুমকির কাছে আমরা মাথা নত করব না
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি pressure মানবেন না তারা। তিনি বলেছেন, ‘new threat ইরানি জাতির ওপর কোনো impact ফেলবে না।’ রবিবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্যে তিনি এই অবস্থান নেন, যা আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
গালিবাফ বলেন, ইরান আলোচনার টেবিলে good initiative নিয়ে এসেছিল। তার মতে, সদিচ্ছা দেখানো সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে response এসেছে হুমকি হিসেবে। তবুও তিনি বলেন, ‘আপনি যদি যুক্তি নিয়ে এগিয়ে আসেন, আমরা যুক্তি দিয়েই মোকাবিলা করব।’ এই বার্তায় public trust ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে দেখা যাচ্ছে।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে হওয়া দ্বিপাক্ষিক আলোচনা প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে চলেছিল। কিন্তু চূড়ান্ত decision হয়নি। এরপর ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে একাধিক পোস্ট করে হরমুজ প্রণালীতে ইরানি জাহাজগুলির চলাচল blockade করার হুমকি দেন। তিনি বলেন, ‘হয় সব জাহাজ নিরাপদে যাতায়াত করবে, নয়তো একটিও পারবে না।’
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের তেল পরিবহনের একটি কৌশলগত পথ। সেখানে যেকোনো অস্থিরতা বৈশ্বিক market নাড়া দেবে। ট্রাম্পের এই claim নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন—আসলেই কি একটি স্ট্রেটে সামরিক অবরোধ আন্তর্জাতিক আইন মেনে করা সম্ভব? তবে তাঁর ভাষায়, ‘আমরা প্রণালী পরিষ্কার করে দেব। অল্প সময়ের মধ্যেই তারা এই পথ ব্যবহার করতে পারবে না।’
এই ঘটনাগুলি শুধু দুই দেশের মধ্যে নয়, বরং সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য এবং বৈশ্বিক স্থিতির risk নিয়ে আসছে। হুমকি ও প্রতিহুমকির এই চক্র যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আনা যায়, তবে আঞ্চলিক conflict আবার প্রজ্বলিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মত, এখনই হয়তো সবচেয়ে বড় opportunity শান্তি আনার—যদি উভয় পক্ষ রাজনৈতিক সাহস দেখাতে পারে।
হুমকি দিয়ে কিছু হবে না। এখন সময় peace শান্তি চায়, না হয় risk ঝুঁকি বাড়বে।
ট্রাম্প আবার একই কাজ করছেন—pressure চাপ তৈরি করে আলোচনা থামাচ্ছেন। ইরান যদি প্রতিক্রিয়া দেয়, তখন বলবেন তারা আগ্রাসী।
হরমুজ প্রণালী অবরোধ করলে বিশ্ব oil price তেলের দাম লাফ দেবে। এটা শুধু রাজনীতি নয়, অর্থনৈতিক খরচও হবে ভয়ানক।
গালিবাফের কথায় public trust জনআস্থা ফিরছে। কিন্তু কাজে কি হবে? action কর্ম ছাড়া কথা ফাঁকা।
আমেরিকা যদি সত্যিই চায়, তবে কেন আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে না? হুমকি দিয়ে diplomacy কূটনীতি হয় না।
‘আমরা কোনো হুমকির কাছে মাথা নত করব না’—এটা শুধু ইরানের জন্য নয়, পুরো region আঞ্চলিক মানুষের জন্য প্রতিজ্ঞা।