কলকাতার খবর: ইডি-র হাতে গ্রেফতার বেহালার ব্যবসায়ী, স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় রাস্তায় অসুস্থ
কলকাতার বেহালা এলাকার businessman জয় এস কামদারকে আর্থিক তছরুপের অভিযোগে ইডি-এর হাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ বিকেলে সিজিও কমপ্লেক্সে দীর্ঘ interrogation শেষে তাঁকে আনুমানিক ৫টা ১০ মিনিট নাগাদ গ্রেফতার করা হয়। সূত্রের খবর, তাঁর বিরুদ্ধে ১১০০ কোটি টাকার fraud কাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে, যা নিয়ে গত ১ এপ্রিল থেকেই তদন্ত চলছিল।
গ্রেফতারের পর তাঁকে প্রথমে বিধাননগর হাসপাতালে নেওয়া হয়, কিন্তু সেখানে গিয়ে health condition খারাপ হওয়ায় আধিকারিকরা সিদ্ধান্ত নেন জোকা ইএসআই হাসপাতালে নেওয়ার। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পথে, চিংড়িঘাটার কাছে, তিনি আবারও unwell বোধ করেন। এবার আর ঝুঁকি নেওয়া হয়নি — গাড়ি ঘুরিয়ে তাঁকে সরাসরি নেওয়া হয় আরজিকর হাসপাতালে।
হাসপাতালে পৌঁছানোর পর জানা যায়, তাঁর blood pressure অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়েছে। গাড়িতেই তিনি কার্যত শুয়ে পড়েছিলেন, এবং আধিকারিকদের উপর পড়ে ছিল responsibility তাঁর শুশ্রূষা করা। এমন সময়ে আদালতে পেশের decision নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
গত ১ এপ্রিল ইডির তল্লাশি চলাকালীন কামদারের বাড়ি থেকে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছিল। তিনি সান এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর, যার মাধ্যমে বড় পরিসরে financial scam চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। এই case নিয়ে ক্রমাগত চাপ বাড়ছে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলির উপর, আর তার মধ্যেই ধৃতের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ নতুন করে জটিলতা তৈরি করেছে।
স্বাস্থ্য খারাপ হওয়া risk ঝুঁকি নেওয়া উচিত নয়, কিন্তু এত বড় fraud প্রতারণা যদি সত্যি হয়, তবে এড়ানোও যায় না।
১১০০ কোটি! এত টাকা কোথায় গেল? সাধারণ মানুষের টাকা নষ্ট হচ্ছে, আর এরা বিলাসিতায় lifestyle জীবনযাপন করছে।
আদালতে পেশ করা হবে কিনা সেটাই এখন big question বড় প্রশ্ন। আইনি প্রক্রিয়া যেন স্থগিত না হয়।
ইডি আধিকারিকরাও মানুষ, মাঝপথে গাড়ি থামিয়ে care যত্ন নেওয়াটা মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে।
এত বড় scam স্ক্যাম হলে কেন আগে থেকে কেউ লক্ষ্য করল না? নজরদারি failure ব্যর্থতা নয় তো?
গ্রেফতার হওয়ার পরই স্বাস্থ্য খারাপ? কিছু মানুষ চাপ মানে pressure চাপ সামলাতে পারে না।