ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবকের বাড়িতে আয়কর দফতরের হানা
ভবানীপুরের বাসিন্দা মিরাজ শাহের বাড়িতে শুক্রবার আয়কর দফতরের rapid action নিয়ে শহরজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে political tension । মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনোনয়নের প্রস্তাবক হওয়ায় তাঁর প্রতি নজর আগে থেকেই ছিল, কিন্তু এমন সময় এই raid রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন তুলেছে।
আয়কর দফতর জানিয়েছে, বেআইনি জমি দখল এবং money laundering অভিযোগে তদন্ত চলছে। এর মধ্যেই শাহের বাড়ি ছাড়াও কলকাতার বেশকয়েকটি স্থানে, যার মধ্যে রয়েছে তৃণমূল নেতা দেবাশিস কুমারের বাসভবন এবং অফিস, একটি রিয়েল এস্টেট সংস্থা এবং এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়।
অন্যদিকে, ইনকাম ট্যাক্সের পাশাপাশি ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে। এই সমন্বিত investigation কেবল শাহকে ঘিরে নয়, বরং বড় পরিসরের অর্থনৈতিক কারসাজির সম্ভাবনা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
তৃণমূল কংগ্রেস এই ঘটনাকে রাজনৈতিক targeting পরিণত করা বলে দাবি করেছে। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলি বিজেপির নির্দেশে বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে pressure তৈরি করছে। এটি গণতান্ত্রিক institutions ব্যবহার হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।
অপরদিকে, বিজেপি এই পদক্ষেপকে আইনের জয় বলে অভিহিত করেছে। তাদের দাবি, কোনও decision রাজনীতি নয়, বরং স্বাধীন তদন্ত সংস্থাগুলির কাজ। আইনের চোখে সবাই সমান, বিশেষ করে যখন public trust জড়িত।
এই সময়ে হানা? এটা কি আসলেই investigation তদন্ত, নাকি কেবল political pressure রাজনৈতিক চাপ তৈরি?
তৃণমূল যদি বলে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, তাহলে প্রমাণ দেখাক। কেন money laundering অর্থপাচার নয়, এটার জবাব কোথায়?
একটা রিয়েল এস্টেট সংস্থা আর একজন CA-এর বাড়িতেও তল্লাশি হচ্ছে। মামলাটা শুধু রাজনীতি নয়, বড় অর্থনৈতিক risk ঝুঁকি থাকতে পারে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবক হওয়ায় শাহ নিশ্চয়ই লক্ষ্য হবেন। কিন্তু সব action পদক্ষেপ কি আইনি ভাবে হচ্ছে? public trust জনগণের আস্থা এখানে বড় ইস্যু।
ইডি আর আয়করের সমন্বিত operation অপারেশন দেখে মনে হচ্ছে বিষয়টা ছোট নয়। কিন্তু রাজনীতি মিশলে সত্য ঢাকা পড়ে যায়।
একটা প্রশ্ন: যদি বিজেপি ক্ষমতায় থাকত, তাহলে তারা এই raid হানা মানত? নাকি এটা আবার hypocrisy দ্বৈত আচরণ?