সূর্যের কাছে গিয়ে ভেঙে গেল গ্রহাণু, তৈরি হল নতুন উল্কাবৃষ্টি
সূর্যের কাছে গিয়ে ভেঙে গেল one asteroid , এবং তার ধ্বংসাবশেষ থেকে তৈরি হয়েছে একটি নতুন meteor shower । বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেছেন, প্রচণ্ড heat এবং pressure এর কারণে এই গ্রহাণুটি ধীরে ধীরে ভেঙেছে, আর তার টুকরোগুলো এখন space dust হিসেবে ছড়িয়ে আছে। পৃথিবী যখন এই কণার মেঘের মধ্যে দিয়ে অতিক্রম করবে, তখন আমরা রাতের আকাশে উজ্জ্বল light trails দেখতে পাব।
নাসার জনসন স্পেস সেন্টারের বিজ্ঞানী প্যাট্রিক শোবার বলেছেন, এটি হলো একটি rare event যেখানে একটি পাথুরে গ্রহাণু, যাকে ‘রক–কমেট’ বলা হয়, সূর্যের কাছাকাছি চলে এসে ভেঙে যায়। সাধারণত উল্কাবৃষ্টি হয় ধূমকেতুর ভাঙনে, কিন্তু এক্ষেত্রে একটি solid object ভেঙে একই ধরনের দৃশ্য তৈরি করেছে। এর মানে হলো, গ্রহাণু ধ্বংসের প্রক্রিয়া আরও জটিল এবং বৈচিত্র্যময় হতে পারে।
গবেষকদের মতে, এই গ্রহাণুটি সূর্যের চারপাশে এতটাই কাছাকাছি এসেছিল যে তার পৃষ্ঠ ফেটে যায় এবং ভেতরের gas বাইরে বেরিয়ে এসে আরও ভাঙন ঘটায়। এই কণাগুলো প্রতি সেকেন্ডে ১৫ মাইলেরও বেশি speed পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে, আর বায়ুর সঙ্গে friction জ্বলে উঠে। এই প্রক্রিয়াটিকে বিজ্ঞানীরা খুব স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করতে পেরেছেন, যা একটি clear example হিসেবে কাজ করছে।
এই নতুন উল্কাবৃষ্টির নামকরণ করা হয়েছে ‘এম২০২৬–এ১’, এবং আশা করা হচ্ছে এটি প্রতি বছর ১৬ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত দৃশ্যমান হবে। এটি মাত্র একটি নতুন উল্কাবৃষ্টি নয়, বরং এটি মহাকাশের বস্তুগুলোর আচরণ বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ জানালা। বিজ্ঞানীরা এখন আরও পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছেন যাতে এই ধরনের fragments কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং কীভাবে পৃথিবীর সঙ্গে তাদের মিথস্ক্রিয়া ঘটে তা বোঝা যায়।
একটা rare case বিরল কেস সত্যিই। আমরা সাধারণত ধূমকেতু নিয়ে শুনি, কিন্তু পাথুরে গ্রহাণু ভেঙে উল্কাবৃষ্টি তৈরি করা নতুন কথা।
আকাশে এমন সৌন্দর্য তৈরি হচ্ছে কিন্তু তার পেছনে এত বিপজ্জনক process প্রক্রিয়া। ভাবলেই অদ্ভুত লাগে।
প্রতি সেকেন্ডে ১৫ মাইল speed বেগ—এটা কি কখনো ভাবা যেত? এই কণাগুলো পৃথিবীতে আঘাত করলে কী হত?
বিজ্ঞানীরা এটাকে clear example স্পষ্ট উদাহরণ বলছেন, কিন্তু আমার মনে হয় এখনও অনেক কিছু অজানা।
নামটা ‘এম২০২৬–এ১’ দেখে মনে হচ্ছে এটা কোনো রহস্যময় code কোড, না বাস্তব ঘটনা?
প্রতিবছর এই সময়ে আকাশের দিকে তাকানোর plan পরিকল্পনা করছি। কোথা থেকে সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে?