গোদাগাড়ীতে বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে জনজীবন বিপর্যস্ত, সেচ নিয়ে আতঙ্কে কৃষক
গোদাগাড়ী উপজেলায় অব্যাহত load shedding চলছে গত কয়েক দিন ধরে, যার কারণে জনজীবন স্তব্ধ। বিদ্যুৎ ছাড়া কৃষকদের সেচ দেওয়া নেহাত স্বপ্ন, আর সেই স্বপ্ন ভাঙলে সারা বছরের পরিশ্রম বিফলে যাবে। বৃষ্টি না হওয়ায় ভ্যাপসা গরম আর হঠাৎ উঠে যাওয়া তাপমাত্রা ফলের গাছ ও শাক সবজির জন্য মারাত্মক হয়ে দাঁড়িয়েছে। আম, লিচু, জামের গুটি শুকিয়ে ঝরছে, পানির অভাবে ধানের শীষ দুলছে শুধু হাওয়ায়, তবে আশা এখনও আছে।
প্রতিদিন বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত power cuts ঘটছে এমন সময়ে যখন মানুষ বাড়ি, মসজিদ বা খোলা আকাশের নিচে শান্তি চায়। ফ্যান, এসি, পানির পাম্প বা মোটর—কিছুই চলছে না। বিদ্যুৎবিহীন অবস্থা মানুষকে pressure ফেলেছে, বিশেষ করে বৃদ্ধ, ছাত্র ও শিশুরা। রোগের প্রকোপ বাড়ছে—ডায়রিয়া, কাশি, সর্দি, চর্মরোগ। আর আগামী ২১ এপ্রিল থেকে এসএসসি পরীক্ষা, তাই পরীক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের anxiety তুঙ্গে।
কৃষক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ১০ বিঘা জমিতে ধান লাগিয়েছেন, কিন্তু cost এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে। সার, কীটনাশক, বীজ, শ্রমিকের মজুরি—সবই বেড়েছে। লোডশেডিংয়ের কারণে সেচের সময় হারাচ্ছেন। তিনি বলেন, “আবহাওয়া অনুকূল থাকলে ঘরে পাঁকা ধান আনব, ইনশাল্লাহ।”
আব্দুল মাতিন, গোদাগাড়ী পৌর এলাকার কৃষক, বলেন, “বিদ্যুতের এই tricks , জ্বালানির দাম আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে এবার বোরো চাষের production cost অনেক বেশি।” তবুও কৃষকেরা হাল ছাড়ছেন না। গোদাগাড়ী উপজেলায় এবার ১৪,৮৫০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মরিয়ম আহমেদ জানান, অনাবৃষ্টির কারণে সেচের expense বেড়েছে, কিন্তু আবহাওয়া ভালো থাকলে বাম্পার ফলনের আশা করা যায়। ধানের সবুজ-সোনালী শীষ হালকা হাওয়ায় দুলছে—সেই দোলনায় দুলছে কৃষকের স্বপ্ন। কিন্তু সেই স্বপ্ন কি বিদ্যুতের অভাবে ভেঙে যাবে? তা নির্ভর করছে দ্রুত decision এবং পরিকল্পনার ওপর।
এত বড় উৎপাদন এলাকা, এখানে লোডশেডিং হচ্ছেই কেন? এটা তো সরাসরি agricultural risk কৃষি ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
শুধু কৃষক নয়, আমরা সবাই ভুগছি। ঘরে বাচ্চাদের পড়ানোর challenge চ্যালেঞ্জ বাড়ছে, রান্না করা মুশকিল।
বিদ্যুৎ দপ্তর কি করছে? এটা তো আর ভেলকিবাজি নয়, এটা public trust জনআস্থার সঙ্গে খেলা।
এসএসসি পরীক্ষা আসছে, আর কোনো support সমর্থন নেই? ছাত্ররা তো বিপদে পড়ছে।
সবুজ শীষ দেখলে ভালো লাগে, কিন্তু তার পেছনে কত struggle সংগ্রাম—ভাবলে মন খারাপ হয়।
কেন এত বিলম্ব হচ্ছে? এটা তো এখন urgent issue জরুরি বিষয়, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।