পাকিস্তান ঢাকায়: টেস্ট সিরিজে আবারও ইতিহাসের মুখোমুখি
cricket মানেই আবেগ, প্রতিদ্বন্দ্বিতা আর ইতিহাস। আর এবার সেই ইতিহাস আবারও লেখা হতে চলেছে ঢাকায়, যেখানে সরফরাজ আহমেদের নেতৃত্বে champions হওয়া পাকিস্তান দল ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতেছিল। সেই সরফরাজ এখন ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন, কিন্তু তাঁর ছায়া এখনও ঘনিয়ে আছে পাকিস্তান দলের পিছনে। তাঁর নেতৃত্বের স্মৃতি এখন আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের মুখোমুখি হতে চলেছে বাংলাদেশের সাদামাটা কিন্তু লড়াকু দল। পাকিস্তান দল গতকাল ঢাকায় পা রেখেছে টেস্ট সিরিজ খেলতে — এমন একটি সিরিজ যেখানে গত ইতিহাস পাকিস্তানের পক্ষেই দাঁড়িয়ে আছে।
দুই দেশের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৫টি test ম্যাচ হয়েছে, যার ১২টিতে জয় পাকিস্তানের। টেস্ট সিরিজের হিসাবে, বাংলাদেশ জিতেছে মাত্র একটি, বাকি ৬টি পাকিস্তানের ঝুলিতে। গতবার ২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে সিরিজ জিতেছিল ২-০ ব্যবধানে। আর আগের বার ২০২১ সালে বাংলাদেশ সফরে পাকিস্তান জিতেছিল সিরিজ। এমন একটি অসামান্য দল, যারা এবার ঢাকায় এসেছে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে। প্রথম ম্যাচ শুরু হবে ৮ মে, মিরপুর স্টেডিয়ামে। আর দ্বিতীয় ম্যাচ হবে ১৬ মে থেকে সিলেটে। এই series মানে শুধু পয়েন্ট নয়, মর্যাদার লড়াই।
পাকিস্তান দল এবার বাংলাদেশ সফরে নিয়ে এসেছে ৪ জন new মুখ। তাদের মধ্যে আছেন তরুণ ব্যাটসম্যান ও অভিজ্ঞ বোলাররা। অধিনায়ক শান মাসুদের দায়িত্ব এবার আরও বড় — তাঁকে নতুনদের গেঁথে তুলতে হবে দলের সাথে। আর পাকিস্তানের কোচ আখতার সরফরাজ চাইবেন ঢাকায় এসে জাদু করতে। একসময়ের উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান সরফরাজ এখন দলের পিছনে কৌশলী মস্তিষ্ক। তাঁর কৌশল হতে পারে বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়ের চাবিকাঠি। আর অপেক্ষা করছে star ব্যাটসম্যান বাবর আজম, যিনি পিএসএল ফাইনাল শেষে ঢাকায় যোগ দেবেন।
মিরপুর স্টেডিয়ামের পিচ সাধারণত স্পিনারদের বন্ধু। কিন্তু পাকিস্তানের সাজিদ খান এবং নোমান আলীর মতো স্পিনারদের বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপের মুখোমুখি হতে হবে, যারা ঘরের মাঠে সবসময় আক্রমণাত্মক খেলে। বাংলাদেশের বোলিংয়ের চাপের মুখে পড়বে পাকিস্তানের batting । দুই দলের মধ্যে সম্পর্ক ক্রিকেটের চেয়েও বেশি কিছু। এটি একটি আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, যেখানে জয় মানে মর্যাদা। এবার সেই মর্যাদা কার হাতে থাকবে, তা নির্ভর করছে মাঠের পারফরম্যান্সের উপর। ক্রিকেট হয়তো শুধু একটি game , কিন্তু এখানে আবেগের পরিমাণ অনেক বেশি।
পাকিস্তান টেস্টে ভালো, কিন্তু pressure চাপে খেলতে পারবে নাকি দেখা যাক!
মিরপুরে পিচ স্পিনারদের পক্ষে, বাংলাদেশ এটা কাজে লাগাতে পারবে।
শান মাসুদ কি আসলেই দায়িত্ব সামলাতে পারবেন? নেতৃত্ব এখন বড় প্রশ্ন।
বাবর আজম এলে পাকিস্তানের chance সুযোগ বাড়বে, তবে পিএসএল পর ফিটনেস নিয়ে চিন্তা।
৭টি সিরিজের মধ্যে ৬টি পাকিস্তানের — সংখ্যাগুলো মিথ্যা বলে না।
সিলেটে দ্বিতীয় টেস্ট, সেখানকার পিচ সাধারণত ব্যাটারদের পক্ষে।
খেলা শুধু ট্রফি নয়, আত্মসম্মানেরও লড়াই। pride গর্ব নিয়ে খেলবে বাংলাদেশ।
মুহাম্মদ গাজী ঘোরি উইকেটকিপার? নতুন মুখ, কিন্তু পারফরম্যান্স দেখাতে হবে।