পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: প্রথম দফায় আড়াই হাজার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, কোন জেলায় মোতায়েন সর্বাধিক?
২৩ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন করা হবে আড়াই হাজারেরও বেশি কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে প্রথম দফার ১৬টি জেলায়। এই প্রস্তুতি দেখাচ্ছে নির্বাচনের গুরুত্ব এবং সম্ভাব্য risk সম্পর্কে কমিশনের সচেতনতা। নির্বাচন নয়, এ যেন যুদ্ধের মতো—সেই ছবিই ফুটে উঠেছে বাহিনী মোতায়েনের পরিমাণ দেখে।
সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদে, যেখানে মোট ৩১৬ কোম্পানি পাঠানো হবে। মুর্শিদাবাদকে দুটি পুলিশ জেলায় ভাগ করে কমিশন নিরাপত্তা পরিকল্পনা করেছে—মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ২৪০ এবং জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ৭৬ কোম্পানি। এই সংখ্যা উল্লেখ করেই বোঝা যায়, এখানে নিরাপত্তার pressure সবচেয়ে বেশি।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর, যেখানে মোতায়েন হবে ২৭৩ কোম্পানি। তৃতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর, যেখানে পাঠানো হবে ২৭১ কোম্পানি। এছাড়া, বাঁকুড়ায় ১৯৩, বীরভূমে ১৭৬, মালদহে ১৭২, পুরুলিয়ায় ১৫১, কোচবিহারে ১৪৬ কোম্পানির মতো বড় সংখ্যা বাহিনী। এগুলি সেই জেলা, যেখানে রাজনৈতিক tension বেশি থাকার কথা ধারণা করা হচ্ছে।
উত্তর দিনাজপুরকে দুটি পুলিশ জেলায় ভাগ করে ইসলামপুরে ৬১ এবং রায়গঞ্জে ৭১ কোম্পানি পাঠানো হবে। আলিপুরদুয়ারে ৭৭, ঝাড়গ্রামে ৭৪, জলপাইগুড়িতে ৯২ কোম্পানি মোতায়েন হবে। দার্জিলিংয়ে ৬১, কালিম্পংয়ে মাত্র ২১ কোম্পানি। কমিশনের এই পদক্ষেপ থেকে বোঝা যাচ্ছে, কোথায় কতটা নিরাপত্তা plan প্রয়োজন, তা খুব সতর্কতার সঙ্গে বিচার করা হচ্ছে।
শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে ৪৪ কোম্পানি এবং আসানসোল-দুর্গাপুর কমিশনারেটে ১২৫ কোম্পানি মোতায়েন করা হবে। নির্বাচন কমিশন বৃহস্পতিবার ভোটের আগেই সব বাহিনী জেলাগুলিতে পৌঁছে যাওয়ার decision নিয়েছে। সোমবারের মধ্যে মোতায়েন শেষ করতে হবে। নির্বাচনের fairness বজায় রাখতে এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ।
মুর্শিদাবাদে এত বেশি বাহিনী? নিশ্চয়ই কোনও serious issue গুরুতর সমস্যা আছে ওই জেলায়।
এত কোম্পানি মোতায়েন করলে কি ভোটারদের মধ্যে fear ভয় তৈরি হবে না?
কালিম্পংয়ে মাত্র ২১ কোম্পানি? এটা কি ঠিক হল? ওখানেও তো রাজনৈতিক tension উত্তেজনা কম নয়।
নির্বাচন কমিশন নিশ্চয়ই সবকিছু calculated হিসাব করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা শুধু বিশ্বাস রাখি।
বাহিনী মোতায়েনের এই পরিমাণ দেখে মনে হচ্ছে, সরকার নিরাপত্তার priority অগ্রাধিকার ঠিক রেখেছে।
আসানসোল-দুর্গাপুরে ১২৫ কোম্পানি? এটা নিশ্চয়ই industrial area শিল্পাঞ্চল হওয়া সত্ত্বেও নিরাপত্তার চাহিদা বেশি।