উপপরিচালক ছুরিকাঘাতে: ক্যানসার হাসপাতালে কি চলছে অদৃশ্য যুদ্ধ?
সকালের নরম আলোয় মহাখালীর রাস্তা ধীরে ধীরে জীবন ফিরে পায়, কিন্তু আজ সোমবার বিকেলে সেই শান্তি ভেঙে দিল event একটি। জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের উপপরিচালক named person (৫০) ছুরিকাঘাতে আহত হন। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকায় তাঁর উপর হামলা হয়, যখন তিনি কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরছিলেন। হঠাৎ দুই যুবক তাঁর পথ আটকায়, তারপরই ছুরি চলে। এই attack শুধু একজন ব্যক্তির নিরাপত্তার বিষয় নয়—এটি একটি গভীর সামাজিক concern , যেখানে গবেষণা ও স্বাস্থ্য পরিষেবার মন্ত্রীসভার কর্মকাণ্ডে অস্বচ্ছতার ছায়া পড়েছে।
আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে তাঁর নিজের হাসপাতালে নেওয়া হয়, পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ঢামেকের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক মোস্তাক আহামেদ জানান, আহমদ হোসেনের body , বাঁ বাহু ও পিঠে ক্ষত রয়েছে। এটি কোনো সামান্য আঘাত নয়—এটি পরিকল্পিত হিংসার চিহ্ন। তার আগে দুই মাস আগে তিনি ক্যানসার ইনস্টিটিউটে যোগ দিয়েছিলেন। এর আগে তিনি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শৃঙ্খলা কমিটির director , যা সংগঠনের অভ্যন্তরীণ পদক্ষেপের দায়িত্বে থাকে। এমন পদে থাকা মানুষ যদি হুমকি পান, তবে প্রতিষ্ঠানের ভেতরের safety কতটা দুর্বল?
আহমদ হোসেন নিজেও কথা বলেছেন হুমকি নিয়ে। তিনি বলেন, গত দুই সপ্তাহ আগে কেউ একজন ইজিপির মাধ্যমে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার জন্য তাঁকে হুমকি দিয়েছিল। আর এখন সেই হুমকি কি সত্যি হয়ে উঠল? তিনি বলেন, টেন্ডার পাওয়ার জন্য অনেকেই তাঁকে ফোন করেছে। এটি কোনো ব্যক্তিগত conflict নাকি সিস্টেমের ভেতরকার চাপ? প্রশ্ন উঠছে, কতটা দূষণ হয়েছে স্বাস্থ্য খাতের গোপন চুক্তির কক্ষপথে? একজন public পরিষেবার নেতা যখন ছুরির মুখোমুখি হন, তখন সমগ্র জনগণ ভয় পায়।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কী হবে পরবর্তী response ? পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু এই ঘটনা সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ভেতরের দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের দিকে আঙুল তুলছে। ক্যানসার গবেষণা হাসপাতাল মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য কাজ করে, কিন্তু তার নেতৃত্ব যদি নিজেই হুমকির মুখে পড়েন, তবে সেই মিশন কতটা নিরাপদ? এটি শুধু একটি case নয়—এটি প্রতিষ্ঠানের অখণ্ডতার জন্য একটি জরুরি সতর্কবার্তা। কতটা trust রাখা যায় আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রতি, যখন সেখানকার নেতারা পথে হামলার শিকার হন? এই ঘটনা সম্ভবত একটি নতুন আলোচনার সূচনা করবে—যেখানে নিরাপত্তা, দুর্নীতি ও প্রতিষ্ঠানগত পরিবর্তনের কথা উঠবে সামনে।
একজন উপপরিচালককে ছুরি মারা হয়েছে, আর আমরা এখনও টেন্ডারের কথা জানি না? কোন প্রকল্পের tender টেন্ডার ছিল? কত টাকা?
হাসপাতালের ভেতরে এমন হামলা—নিরাপত্তা ব্যবস্থা কই? এটা কি শুধু ব্যক্তিগত, নাকি কোনো সিস্টেমেটিক issue সমস্যা?
এরকম ঘটনা ঘটলে সবাই ভয় পায়। কিন্তু কেউ কিছু বলে না। কারণ, পরে নিজের চাকরি চলে যাবে।
আহত হওয়ার পর ঢামেকে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু হামলার পর পুলিশ কই ছিল? delay বিলম্ব হয়েছে কি না, তা জানা দরকার।
ইজিপি মাধ্যমে টেন্ডার? এটা নতুন কিছু না। কিন্তু হুমকি দেওয়া থেকে হামলা—এটা পরবর্তী ধাপ। কত জন আর আহত হবে আগে কিছু করা হবে?
আশা করি তাঁর দ্রুত সুস্থতা হবে। এমন হামলা কারো উপরই হওয়া উচিত নয়। এটা মানবিকতার বিরুদ্ধে।
সব সময় বলা হয় 'নিরাপদ পরিবেশ'। কিন্তু কে নিরাপদ? যারা ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ায়, তারা কি সত্যিই safe নিরাপদ?