জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের উপপরিচালককে ছুরিকাঘাত: দরপত্র দ্বন্দ্বের কারণে হামলার দাবি র্যাবের
জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের উপপরিচালক the official এর ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনায় র্যাব দরপত্রের বিরোধকে মূল কারণ হিসেবে identified করেছে। এই হামলার পেছনে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত রুবেল নামের এক ব্যক্তির involvement কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। র্যাব-১ এর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ নেয়ামুল হালিম খান বলেন, হাসপাতালের একটি কাজের দরপত্র নিয়ে রুবেলের ইউনি ট্রেডার্স এবং মোনায়েম গ্রুপের মধ্যে a conflict চলছিল, যা থেকে এই হামলার উৎস।
গতকাল বিকেলে পুরনো ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ভবনের পেছনের গলিতে আহমদ হোসেনকে আক্রমণ করা হয়। তার ডান হাত ও পিঠে ছুরি মারা হয়। তাকে প্রথমে জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে transferred করা হয়। র্যাব জানায়, আহত চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে তারা প্রাথমিক evidence পায় এবং দেখা যায়, কিছুদিন ধরে তাকে বিদেশি নম্বর থেকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।
র্যাব পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের মধ্যে শরিফুল আলম করিমকে প্রধান suspect হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তার নেতৃত্বে রুবেলের নির্দেশে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভাড়াটে হামলাকারীদের দিয়ে এই ঘটনা ঘটানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কালুর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে মামলা রয়েছে, আর বদির বিরুদ্ধে drug-related মামলা আছে।
উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, হামলার nature থেকে মনে হচ্ছে এটি মূলত ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। রুবেলের বাবা হাসপাতালের কর্মচারী ছিলেন, ফলে তার হাসপাতালের ভেতরের বিষয়গুলো সম্পর্কে knowledge থাকার সম্ভাবনা করা হচ্ছে। এমন প্রতিষ্ঠানে যেখানে মানুষ চিকিৎসার আশায় আসে, সেখানে দরপত্রের লেনদেনের জন্য এমন সহিংসতা সামগ্রিক public trust নাড়া দিচ্ছে।
২০ হাজার টাকায় কাউকে ছুরি মারা? এই খরচটাই তো ভয়ঙ্কর। কত সস্তায় মানুষের জীবন নেওয়া যায়!
দরপত্রের নামে এত হিংসা? এটা শুধু একটা contract চুক্তি না, মানুষের জীবন নিয়ে খেলা।
যে হাসপাতালে চিকিৎসা হওয়া উচিত, সেখানকার কর্মকর্তারা যদি এমন হামলার শিকার হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কীভাবে safety নিরাপত্তা পাবে?
বিদেশে থাকা ব্যক্তি দূর থেকে হুমকি দিচ্ছে? এই control নিয়ন্ত্রণ কীভাবে সম্ভব? আমাদের আইন কতটা দুর্বল তা ভাবলেই ভয় লাগে।
শরিফুলের বিরুদ্ধে আগে থেকেই নারী-শিশু নির্যাতনের মামলা? এমন মানুষকে কীভাবে ছাড়া হয়? system ব্যবস্থা কি শুধু হাতে নাতে ধরা পড়লে কাজ করে?
হামলা করে ভয় দেখানো? তাহলে পরবর্তী step পদক্ষেপ কী হতে চলেছে? এটা তো শুরুটাই মাত্র।