বিজলী থেকে বিচার: কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে ন্যায্য আলো?
এখন আর বিদ্যুতের জন্য মুহূর্তের আশা নয়, বরং মুহূর্তের অন্ধকার। সরকার যেখানে megawatt ঘাটতির কথা স্বীকার করছে, সেখানে বিতরণ কোম্পানিগুলো বলছে, লোডশেডিং তার চেয়ে বেশি। বিদ্যুৎ উৎপাদনের চাবিকাঠি হাতছাড়া হচ্ছে জ্বালানির স্বল্পতায়, যা আর শুধু দাম বাড়ানোর বিষয় নয়— সরবরাহ পথে বাধাও হয়ে দাঁড়িয়েছে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে। fuel আমদানি বাধাগ্রস্ত, এবং তাপমাত্রা বাড়ছে, যা আবার ঘরে ঘরে পাখা ও এসির চাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে। পরিকল্পনা আছে, কিন্তু বাস্তবতা বলে, সংকট আরও গভীর হবে।
এমন সময় রাজধানীতেও লোডশেডিংয়ের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে— সমান বিতরণের নামে ঘরে ঘরে বিজলী কেটে যাবে? স্থানীয় কোন শিল্প বা কৃষি ক্ষতি রোধে না হয়ে, ন্যায্য বণ্টনের নামে দেশজুড়ে একই বৈদ্যুতিক নিষেধাজ্ঞা চালু হচ্ছে। distribution বলয়ে বৈষম্য কমানোর কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু প্রশ্ন থাকে: ক্ষমতার আওতার বাইরে যারা, তাদের কী ন্যায় দেখানো হবে? এদিকে উত্তরাঞ্চলে বিমানবন্দর চালু করার পরিকল্পনা ঘোষিত হয়েছে— বগুড়া, ঈশ্বরদী, লালমনিরহাট। অবকাঠামো পুনরুজ্জীবিত করার এই পদক্ষেপ কি আসলে একটি কৌশল নাকি সত্যিকারের উন্নয়ন?
দেশের নাড়িতে নাড়িতে আরও তিনটি খবর ছড়িয়েছে অস্থিরতা। পুলিশে বাধ্যতামূলক অবসরের ঢেউ তুলেছে ভয়— কেউ শুধু চাকরি হারানোর আশঙ্কা করছেন, কেউ আবার খারাপ স্থানে বদলি হওয়ার fear । ক্ষমতার ছায়ায় যারা আগে লেজুড় ছিল, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে সরকারি দাবি। কিন্তু একই সময়ে যারা অন্তর্বর্তী সরকারেও ক্ষমতায় রয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধেও গোয়েন্দার চোখ। government এখন খুঁজছে কার হাতে কতটা প্রভাব, আর কে কতদিন থেকে সুবিধা পাচ্ছেন। এই অনিশ্চয়তা নাকি আরও বাড়ছে ক্ষোভ।
হামের উপসর্গে মানুষ মারা যাচ্ছেন, কিন্তু মৃত্যুর কারণে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কিছু মৃত্যুকে 'সন্দেহজনক' হামের কারণ বলছে, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করেছেন: হামের উপসর্গ থাকলে সবই হামে মৃত্যু। এই অসঙ্গতি জনগণের আস্থা নষ্ট করছে। confusion আরও বাড়ছে পোশাক শিল্পে— রফতানি কমছে, ক্রয়াদেশ কম, মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। প্রতি কিলোমিটার পথের জন্য গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে ১১ পয়সা। transport ব্যয় বাড়বে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলবে সাধারণ মানুষের পকেটে।
রানা প্লাজার ১৩ বছর পার হয়ে গেলেও বিচার এখনও অধরা। ১,১৩৬ শ্রমিক নিহত, আহত হাজার, কিন্তু মামলার ফাইল এখনও খোলা। বিচার ঠেলা হচ্ছে, ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন না পরিবার। এদিকে, ছাত্রনেতাদের উপর হামলা আবার তুলেছে রাজনৈতিক সহিংসতার প্রশ্ন। প্রধানমন্ত্রী যৌথ সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন জ্বালানি সংকট মোকাবিলায়। proposal আছে, কিন্তু বাস্তবায়ন কবে? সবমিলিয়ে, এই সময় জনগণের জন্য সুখবর নয়, বরং প্রশ্নের ভার। people এখন চায় সত্য, স্পষ্টতা আর কর্ম।
বিদ্যুৎ ঘাটতি নিয়ে প্রতিবেদন ঠিকই, কিন্তু solution সমাধান কোথায়? কেবল সংখ্যা আর সমস্যা বললে মানুষ কি আলো ফিরে পাবে?
উত্তরাঞ্চলে বিমানবন্দর ভালো কথা, কিন্তু সেখানকার অর্থনীতি কি সত্যিই উঠবে? বা শুধু ঘোষণা হবে আর ভুলে যাওয়া হবে?
পুলিশে ভয়, রাজনীতির ছায়া, পোশাক শিল্পে মন্দা— মোট কথা, সংকট হচ্ছে সব ক্ষেত্রে। কিন্তু নেতৃত্ব কি আসলে কাজ করছে?
হামের মৃত্যু নিয়ে confusion বিভ্রান্তি ভয়াবহ। সরকার যদি স্বচ্ছ না হয়, তাহলে আস্থা হারাবে জনগণ।
রানা প্লাজার বিচার না হওয়া পুরনো কথা নয়, এটা এখন জাতীয় লজ্জা।
ছাত্রনেতাদের উপর হামলা কি আবার সেই পুরনো রাজনৈতিক হিংসার পুনরাবৃত্তি?
ভাড়া বাড়ানো হয়েছে বলে সরকার বলছে, কিন্তু আমাদের বেতন কি বাড়ে? transport পরিবহন খরচ আর বাজেটের মাঝে সমন্বয় কে করবে?
জ্বালানি সংকটে যৌথ কমিটি ভালো পদক্ষেপ, কিন্তু এটা কি আসলে action কর্ম নাকি আরেকটা কমিটির নামে সময় কাটানো?