কালোবাজারি নাকি কৃত্রিম আতঙ্ক? তেলের সঙ্কট নিয়ে মির্জা ফখরুলের হুঁশিয়ারি
গ্যাস, ডিজেল, সিরাজের লাইনে লুকিয়ে আছে এক গভীর অসাধুতার গল্প। সরবরাহে কোনো shortage নেই, তবু মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে জ্বালানির জন্য। স্থানীয় সরকারের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্ট করেছেন, এই crisis প্রকৃতির নয়, এটি কৃত্রিম। তেলের নামে যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে, তা কিছু অনৈতিক ব্যবসায়ীর হাতের খেলা। তারা hoard করে কালোবাজারে বিক্রি করছে, আর সেই কালোবাজারই আঘাত করছে সাধারণ মানুষ ও দেশের economy -কে।
মির্জা ফখরুল বলেছেন, আন্তর্জাতিক স্তরে ইরান-ইসরাইল-আমেরিকার উত্তেজনা সত্যিই বিশ্বব্যাপী অস্থিরতা তৈরি করেছে। কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তেলের সরবরাহ নিয়ে কোনো problem নেই। ফিলিং স্টেশনের লম্বা লাইন বাস্তব ঘাটতির নয়, বরং panic প্রতীক। এই situation নিয়ন্ত্রণে সরকার প্রশাসনকে দায়িত্ব দিয়েছে। কারা তেল মজুত করছে, তাদের বিরুদ্ধে strict ব্যবস্থা নেয়া হবে। এটি শুধু বাজার নয়, জাতির স্বার্থের বিরুদ্ধে অপরাধ।
তবে তেলের চক্র যেমন আছে, তেমনি আছে আলুর চক্র। কৃষকদের জন্য মির্জা ফখরুলের কণ্ঠ ভারী। তিনি বলেন, কৃষকরা আবারও বাজারের খেলায় suffered হয়েছে। আলুর বিশাল উৎপাদন হয়েছে, কিন্তু তাদের কোনো price পাওয়া যায়নি। উৎপাদন খরচও ফেরায়নি। এ অবস্থায় তাদের জন্য বাঁচার ব্যবস্থা চলছে। কৃষিভিত্তিক এলাকায় জোন ও হিমাগার তৈরি হবে, যাতে ফসল সংরক্ষণ করা যায়।
এদিকে, ঠাকুরগাঁওয়ের মির্জা রুহুল আমিন মিলনায়তনে এক প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে তিনি ২০ কোটি টাকার উদ্যোগ ঘোষণা করেন। ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারকে relief করে এবং ৮০ পরিবারকে ৬,২৫০ টাকা করে দেয়া হয়। জেলা পরিষদ থেকে ৭০ পরিবারকে tin ও ৬০ পরিবারকে পাঁচ হাজার টাকা করে সাহায্য পাঠানো হয়। ৮৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ৯০ লাখ টাকার বরাদ্দপত্র বিতরণ করা হয়। মোট ২৯৪টি প্রতিষ্ঠান—মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান—এর উন্নয়নে এই অর্থ। তিনি বলেন, কৃষক বাঁচলে তবেই আমরা বাঁচব।
এই অনুষ্ঠানে বিএনপির নেতা মির্জা ফয়সল আমিন, পয়গাম আলী, শরিফুল ইসলাম শরিফসহ অনেক নেতা উপস্থিত ছিলেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন করে উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছে দেশ বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল। অর্থনীতিকে stronger করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু সেই অর্থনীতির ভেতরেই যদি কৃত্রিম হস্তক্ষেপ চলে, তাহলে সেই স্বপ্ন কতটা টেকসই হবে? প্রশ্নটা মানুষের মনেই রেখে গেলেন মন্ত্রী।
কৃষক মার খাচ্ছে, তেল মজুত হচ্ছে—একই গল্প বছরের পর বছর ধরে। কখনো solution সমাধান হবে নাকি?
কৃত্রিম সঙ্কট? তাহলে পাম্পে লাইন কেন? আমরা কি সবাই মিথ্যা দেখছি?
২০ কোটি টাকা বিতরণ হয়েছে, ভালো কথা। কিন্তু স্বচ্ছতা আছে কি না, সেটাই তো প্রশ্ন।
হিমাগার হোক, কৃষক বাঁচুক। এটাই চাই। hope আশা করি কথার চেয়ে কাজ বেশি হবে।
কালোবাজারি বন্ধ করতে হবে। নইলে সব উন্নয়ন ধুলোয় মিশবে।
২৯৪টি প্রতিষ্ঠানে অনুদান গেল? ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে এত বরাদ্দ—priority অগ্রাধিকার কি ঠিক আছে?
কৃষক বাঁচলে আমরা বাঁচব—এই কথাটা বার বার মনে করিয়ে দেয়, কে আসলে দেশ চালায়।
তেলের কালোবাজারি বন্ধ হোক। নইলে সাধারণ মানুষের বাজেট আর কোনোদিন সামলানো যাবে না।