বাড়ছে শিশুদের ডায়াবেটিস, জীবনধারার বদলই বড় কারণ! সতর্কবার্তা বিশেষজ্ঞদের
বাড়ছে শিশুদের ডায়াবেটিস, lifestyle বদলই বড় কারণ — এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা। আগে মূলত প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেই দেখা যেত এই রোগ, কিন্তু এখন তা children মধ্যেও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ভারত ছাড়াও বিশ্বজুড়ে এই প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা চিকিৎসকদের মনে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে। কলকাতার এন্ডোক্রিনোলজিস্ট ডঃ সোহম তরফদার বলেন, আগে টাইপ 1 ডায়াবেটিস ছিল প্রধান, কিন্তু এখন টাইপ 2 ডায়াবেটিস দ্রুত বাড়ছে।
টাইপ 1 ডায়াবেটিস হলো একটি অটোইমিউন রোগ, যেখানে শরীর নিজের ইনসুলিন কোষ ধ্বংস করে ফেলে। অন্যদিকে, টাইপ 2 ডায়াবেটিসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে জীবনযাত্রা। বিশেষ করে obesity এর প্রধান কারণ। চিকিৎসকদের মতে, ফাস্ট ফুড, অতিরিক্ত চিনি, তেলে ভাজা খাবার এবং কোল্ড ড্রিংকসের ব্যবহার বাড়ায় body fat জমে যায়, যা ইনসুলিনের কাজে বাধা দেয়। একে বলা হয় insulin resistance ।
আগে শিশুরা মাঠে খেলত, শারীরিক কার্যকলাপ ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু এখন মানসিক pressure , পড়াশোনার বোঝা এবং প্রতিযোগিতা তাদের physical activity কমিয়ে দিচ্ছে। ডঃ তরফদার উল্লেখ করেন, পেটের চারপাশে চর্বি বা লিভারে ফ্যাট জমা ভবিষ্যতের health risk প্রথম ইঙ্গিত।
পরিসংখ্যান বলছে, 2050 এর মধ্যে ভারতের 10 শতাংশ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, ছোট থেকেই healthy habits গড়ে তোলা জরুরি। চিনি ও তেলে ভাজা কমানো, ফল-সবজি ও প্রোটিন বাড়ানো এবং প্রতিদিন অন্তত 30 মিনিট শারীরিক exercise করা গুরুত্বপূর্ণ। সপ্তাহে কমপক্ষে পাঁচ দিন এই রুটিন মেনে চললে ঝুঁকি sharply কমানো সম্ভব।
যেসব পরিবারে ডায়াবেটিসের ইতিহাস রয়েছে বা যাদের ওজন দ্রুত বাড়ছে, তাদের জন্য বাড়তি precaution জরুরি। চিকিৎসকদের মতে, সঠিক সময়ে সচেতনতা আনলে এই রোগ প্রতিরোধ possible । ডায়াবেটিস আর ভবিষ্যতের কথা নয় — এটি এখনই আমাদের reality ।
আমার ছেলের ওজন দেখে আমি আগে খুশি হতাম, মনে করতাম ভালো খাচ্ছে। এখন বুঝছি, এটাই হতে পারে biggest risk সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।
স্কুলের ক্যান্টিনে পিৎজা, চিপস, কোক — এসব কেন বিক্রি করা হয়? স্কুল থেকেই healthy food সুস্থ খাবার শেখানো উচিত।
বাবা-মায়েরা নিজেরাই ফাস্ট ফুড খায়, তারপর ছেলেমেয়েকে বলবে না খেতে? hypocrisy এটা তো পুরোপুরি ভণ্ডামি।
আমার বোনের মেয়েটার শিশু অবস্থাতেই টাইপ 2 ডায়াবেটিস ধরা পড়েছে। ডাক্তার বলেছিলেন, lifestyle change জীবনযাত্রা বদলাতে হবে।
এত তথ্য শুনলেও মানুষ বদলায় না। কতজন সত্যিই প্রতিদিন একঘণ্টা physical work শারীরিক কাজ করবে?
কেন শুধু শিশুদের উপর চাপ দেওয়া হয়? ফুড কোম্পানিগুলোর বিজ্ঞাপন, স্কুলের সামনে স্টল — কে নিয়ন্ত্রণ করবে? পুরো ব্যবস্থাটাই তো ব্যর্থ।