চট্টগ্রামে ১২ কোটি টাকায় এমপি বানানোর প্রস্তাব!
চট্টগ্রামে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ-সদস্য (এমপি) হওয়ার নামে new planটি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশার কাছে ১২ কোটি টাকা দাবি করেছিল একটি প্রতারক চক্র। মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। কয়েকদিন পর চার সদস্যের একটি টিম চট্টগ্রামে এসে বাড়িতে ঢুকে পড়ে। তারা দাবি করে, তাদের ‘সানি ভাইয়ের’ কোটায় ফাতেমা এমপি হতে পারবেন, কিন্তু শর্ত হিসেবে তাদের দলকে উন্নয়ন প্রকল্পের market নিয়ন্ত্রণে দিতে হবে।
ফাতেমা স্পষ্ট করেছেন, তিনি এমন কোনো decision নেননি। বরং তিনি রাজনৈতিক অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনার পরামর্শ নেন। যখন তারা তার স্বাক্ষরযুক্ত নথি চায়, যাতে ভবিষ্যতে বরাদ্দকৃত টাকা তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে, তখন তিনি direct প্রত্যাখ্যান করেন। তার কথায়, "আমি ৩৮ বছর ধরে বিএনপির হয়ে কাজ করছি, কখনো ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়।" এই claim ঘিরে স্থানীয় নেতৃত্বের মধ্যে বিশ্বাসের ভাঙন শুরু হয়েছে।
এই ঘটনা সম্ভাব্য এমপি মনোনয়নের pressure কমাতে পারে না, বরং বাড়িয়েছে। সূত্রের খবর, সংরক্ষিত আসনে ৫০টির মধ্যে বিএনপি পাচ্ছে ৩৬টি। চট্টগ্রাম থেকে ২-৩ জন মনোনয়ন পেতে পারেন। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন প্রার্থী সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। রাজনৈতিক পদে পৌঁছানোর নামে এমন অর্থের demand সংগঠনের ভেতরেও বিশ্বাসহীনতা ছড়াচ্ছে।
১২ মে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন। এই অল্প সময়ের মধ্যে কোন প্রার্থী মনোনয়ন পাবেন, তা নিয়ে তীব্র প্রতিযোগিতা। ফাতেমার মতো অভিজ্ঞ নারী নেত্রীদের ওপর এমন risk ফেলা হওয়ায় উঠছে প্রশ্ন। কেন এমন প্রতারণার প্রস্তাব এল? কে আসলে ‘সানি ভাই’? এসব প্রশ্ন এখনও unanswered ।
এই ঘটনা শুধু একজন নেত্রীর সঙ্গে হওয়া প্রতারণার গল্প নয়। এটি প্রতিফলিত করছে public trust দুর্বলতা এবং রাজনৈতিক পদলাভের পেছনে লুকিয়ে থাকা অদৃশ্য middlemen কারবার। কেউ কেউ মনে করছেন, এগুলো হচ্ছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের নতুন মাধ্যম। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই প্রশ্ন তুলছেন, রাজনীতি কি এখন বাজারের মতো, যেখানে পদ কেনাবেচা হয়?
১২ কোটি! এটা তো সাধারণ মানুষের কাছে কল্পনাতীত। এমন cost খরচ কে বহন করবে? রাজনীতি আর স্বচ্ছতা দুটো কি এখন এক ছাদের নিচে থাকতে পারে?
‘সানি ভাই’ কে? এটা কি কোনো নেতার কোড নাম? এমন issue বিষয়টি তদন্ত হওয়া উচিত।
ফাতেমা প্রত্যাখ্যান করেছেন, কিন্তু অন্যরা কি করেছেন? হয়তো কেউ কেউ support সমর্থন দিয়েছে গোপনে।
এমপি হওয়ার আগেই টাকা দিতে হবে, তারপর উন্নয়নের টাকা দালালরা নেবে। এটা তো আর রাজনীতি নয়, এটা fraud প্রতারণা।
সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দেয় কে? যদি পার্টির অভ্যন্তরীণ কারবার হয়, তাহলে জনগণের impact প্রভাব কোথায়?
অপরিচিত মাইক্রো নিয়ে বাড়িতে ঢুকে পড়ার ঘটনা দেখাচ্ছে, তারা কতটা confident আত্মবিশ্বাসী ছিল। এমন হামলা রোধ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।