কৃষকদের আত্মনির্ভর ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড: প্রধানমন্ত্রী
কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করার লক্ষ্যেই কৃষক কার্ড চালু করেছে সরকার, দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত মঙ্গলবার টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এ সময় decision নেওয়া হয় যে, দেশের ১১টি উপজেলায় pilot project হিসেবে প্রথম ধাপে ৩০ লাখ কৃষককে এ কার্ড দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি benefits পাবেন যেমন—ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সহজ শর্তে ঋণ, সরকারি ভর্তুকি এবং সেচ সুবিধা। প্রত্যক্ষ আর্থিক সহায়তা হিসেবে উদ্বোধনের দিনই ২২ হাজার ৬৭ জন কৃষকের ব্যাংক একাউন্টে cash support জমা পড়ে।
তবে এই উদ্যোগ ঘিরে উঠেছে বিতর্ক। কার্ড পাওয়া কবির হোসেন নামের এক কৃষককে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করা হয় যে, তিনি আসলে ধনী এবং কৃষি কাজ করেন না। কিছু fake image ছড়িয়ে পড়ে যা তিনি নিজে এআই দিয়ে তৈরি করেছিলেন। এতে public trust নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। ঘটনার তদন্তে কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় তিনটি কমিটি গঠন করে। সত্য খুঁজে পাওয়ার পর কমিটি জানায়, কবির হোসেন সত্যিই একজন প্রান্তিক কৃষক, কিন্তু তাঁর ভুল পদক্ষেপে গোলমাল হয়েছে।
কৃষকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা যদি ভালো থাকেন, তাহলে সমগ্র দেশ ভালো থাকবে।” তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ৪ কোটি পরিবারের কেউ না কেউ কৃষির সঙ্গে যুক্ত, তাই কৃষকই দেশের অগ্রগতির core । এই কার্ড শুধু আর্থিক সুবিধা নয়, এটি কৃষকদের মনোবল বাড়ানোর symbolic । অন্যদিকে, কৃষাণী নাসিমা খানম সুমনা বলেন, “আমি কখনো ভাবিনি প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে কার্ড পাব। এখন আমার কৃষি কাজ আরও সহজ হবে।”
অপর কৃষক মোহাম্মদ আবু কায়সার বলেন, “আগে জিয়াউর রহমান খাল কেটে মানুষের মন জয় করেছিলেন, আজ তারেক রহমান কৃষক কার্ড দিয়ে আমাদের মন জয় করেছেন।” তবে কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, কার্ড চালু করা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো এর বাস্তবায়ন। তাদের আশঙ্কা, যদি সুবিধা সঠিকভাবে পৌঁছায় না, তবে এটি হবে political promise মাত্র। কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের হাতে কার্ড পৌঁছানো হবে। এ প্রকল্পের সাফল্য নির্ভর করছে স্বচ্ছতা ও monitoring এর ওপর।
এত সুবিধা শুনে ভালো লাগছে, কিন্তু দেখা যাক কার্ড পেলেও প্রকৃতপক্ষে কৃষকরা access সুবিধা পায় কিনা।
কবির হোসেন নিজেই এআই ছবি পোস্ট করেছিলেন? এতে credibility বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হয়েছে, সরকারের নয়, কৃষকের।
কার্ড দেওয়া ভালো, কিন্তু ফসলের সঠিক মূল্য না পেলে এটি কতদিন impact প্রভাব ফেলবে?
প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপে বাটন চাপলেন, আর টাকা চলে গেল—quickly দ্রুত হলেও কি টেকসই?
কার্ডের নামে আবার দলীয় pressure চাপ তৈরি হবে না তো? প্রান্তিক কৃষকরাই তো সবচেয়ে ঝুঁকিতে।
গাছের চারা দেওয়া ভালো হয়েছে, কিন্তু সেগুলো বেঁচে থাকবে কীভাবে? সেচের support সহায়তা না পেলে শুকিয়ে যাবে।