এরাজ্য থেকে শিক্ষা-শিল্প-চাকরি ও মানুষের এক্সোডাস শুরু হয়েছে, মন্তব্য শমীকের
পশ্চিমবঙ্গ থেকে শিল্প, শিক্ষা, চাকরি এবং মানুষের বিপুল exodus শুরু হয়ে গিয়েছে, এমনটাই দাবি করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। কলকাতার প্রেস ক্লাবে আয়োজিত ‘Meet the Press’ অনুষ্ঠানে তিনি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র criticism করেন এবং বলেন, গত 15 বছরে রাজ্যের গণতান্ত্রিক কাঠামো ক্রমশ ভেঙে পড়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু বরং তা উল্টে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁর দাবি, রাজ্যের debt ক্রমাগত বাড়ছে, কিন্তু মূলধন ব্যয় কমছে। তিনি বলেন, শিল্পায়নের অভাবে নতুন চাকরি তৈরি হচ্ছে না, এবং সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের ঘটনা শিল্পপতিদের মধ্যে negative message পাঠিয়েছে। প্রায় 79,000 কারখানা বন্ধ হয়েছে এবং হাজারের বেশি কোম্পানি লিকুইডেশনে রয়েছে। এছাড়া অসংখ্য কোম্পানি হেডকোয়ার্টার অন্য রাজ্যে সরিয়ে নিয়েছে, যার ফলে রাজ্য থেকে capital , মেধা ও শ্রমের বহির্গমন ঘটছে।
কৃষি খাতেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। উৎপাদন কমছে এবং কৃষকরা চরম crisis পড়েছেন, বিশেষ করে আলু চাষিরা। ভৌগোলিক সুবিধা, প্রাকৃতিক সম্পদ এবং মানবসম্পদ থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সঠিক নীতির অভাবে পিছিয়ে পড়ছে। আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং প্রশাসনের রাজনৈতিক প্রভাবও তিনি উল্লেখ করেন। ‘র্যাডিকালাইজেশন’ এবং জনবিন্যাস পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলিকে রাজ্যের জন্য বড় challenge হিসেবে চিহ্নিত করেন তিনি।
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ‘জনতা বনাম তৃণমূল’-এর লড়াই হিসেবে দেখেন শমীক। মানুষের মধ্যে জমা হওয়া frustration নির্বাচনে প্রতিফলিত হবে বলে তিনি দাবি করেন। বিজেপি ‘government in waiting’ হিসেবে নিজেদের দেখে, এবং তাদের লক্ষ্য হলো একটি দুর্নীতিমুক্ত, ভয়মুক্ত এবং উন্নয়নমুখী পশ্চিমবঙ্গ গড়ে তোলা। তিনি জনগণকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে এবং গণতন্ত্র রক্ষার জন্য change আনার আহ্বান জানান।
পুঁজি আর মেধা যাচ্ছে, কিন্তু সরকার কি action ব্যবস্থা নেবে?
79 হাজার কারখানা বন্ধ? এতটা impact প্রভাব কি সত্যি স্থানীয় অর্থনীতিকে ভাঙবে?
শিক্ষা আর চাকরি চলে গেলে তরুণরা আর কোথায় থাকবে? এটা শুধু রাজনীতি নয়, reality বাস্তবতা।
‘জনতা বনাম তৃণমূল’— এই narrative কাহিনী তো পুরনো। কিন্তু মানুষের আস্থা ফিরবে কীভাবে?
আইনশৃঙ্খলার অবক্ষয় হয়েছে, কিন্তু পুলিশের উপর pressure চাপ বাড়ালে সমাধান হবে?
মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে কথা হচ্ছে, কিন্তু ভূমিকা নেওয়ার সুযোগ কি genuine সত্যিকার?