দিলীপ ঘোষ: ‘উত্তরপ্রদেশ-বিহারের চেয়েও খারাপ হাল হবে বাংলায়’! ভোটের আগে ফের হুঁশিয়ারি দিলীপের, বিঁধলেন মমতাকেও
খড়্গপুরের গোলবাজারে শুক্রবার রাতে রোড-শো করে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ আবারও তীব্র warning দিয়েছেন। তাঁর দাবি, বিজেপির এক নির্বাচনী কর্মী এবং অ্যাডভোকেট অনুপমের প্রতি হুমকি আসছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে দিলীপ বলেন, "৪ তারিখের পর এখানে থাকতে পারবে তো?" তাঁর ভাষায়, এমন কর্মীদের পালিয়ে বেড়াতে হবে বিভিন্ন state ।
দিলীপ ঘোষ পুলিশের প্রতিও সরাসরি pressure তৈরি করেছেন। তিনি বলেন, "খুব খারাপ দিন আসতে চলেছে।" তাঁর মতে, উত্তরপ্রদেশ ও বিহারে যেভাবে গুন্ডা-মাফিয়াদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, বাংলায় তার চেয়েও কঠোর action নেওয়া হবে। তিনি স্পষ্ট করে দেন, "আর দিলীপ ঘোষ শুধু মুখে বলে না, করে দেখায়।"
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কুৎসা ছড়ানোর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দিলীপ ঘোষ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মমতাই এ ক্ষেত্রে "champion "। পাশাপাশি এনআরসি নিয়ে মমতার অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করে দিলীপ বলেন, "সরকার তো থাকুক আগে, তারপর উনি এনআরসি করতে দেবেন না কি হবে তা দেখা যাবে।"
ডিলিমিটেশন বিল বাতিল হওয়ার পর রাহুল গান্ধী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে ফোনালাপের কথাও তুলে ধরেন তিনি। এটাকে বিরোধী ঐক্যের প্রমাণ বলে দাবি করেন দিলীপ। তবে তাঁর মনে হয়, চারটি রাজ্যের ফলাফল পরিষ্কার হলে বিরোধীরা আরও disintegrated হবে। মহিলা সংরক্ষণ বিলে বাধা দেওয়াকে তিনি গুরুতর অপরাধ বলে চিহ্নিত করেন, এবং মহিলাদের প্রতিবাদের impact সম্পর্কে সতর্ক করেন।
পুলিশের উপর pressure চাপ দেওয়া কী রকম লোকতন্ত্রের আদর্শের সঙ্গে মেলে?
৪ তারিখের পর কী হবে সেটা দেখতে হবে, কিন্তু এত হুমকি কী দরকার? রাজনীতি কি এখন horror ভয় দেখিয়ে করতে হয়?
মমতা কুৎসা ছড়ান? ওঁর বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত মিথ্যা ছড়াচ্ছে বিজেপি। চ্যাম্পিয়ন তো ওদের নিজেদের মধ্যে!
উত্তরপ্রদেশ-বিহারের সঙ্গে বাংলার তুলনা ঠিক নয়। এখানকার reality বাস্তবতা অন্যরকম।
ডিলিমিটেশন নিয়ে ফোনালাপের কথা বলে বিরোধী ঐক্যকে কমজোর দেখানোর চেষ্টা। কিন্তু ফলাফল কি সত্যিই disintegrated ছিন্নভিন্ন করবে?
আমরা নিরপেক্ষ মানুষ, কেবল শান্তি চাই। এত risk ঝুঁকি আর হুমকি নয়, দয়া করে।